Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মঙ্গলবারের মধ্যে আবেদন করলে ৩ জুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩,০০০! কারা পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা? ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করা যাবে। ৯০ দিন ধরে চলবে এই প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবারের মধ্যে আবেদন করলে ৩ জুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩,০০০! কারা পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা? ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
  • ২৭ মে, ২০২৬ ১৯:০৫

কলকাতা, ২৭ মে: অপেক্ষার অবসান। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম প্রকাশ করল রাজ্যের বিজেপি সরকার। কারা আবেদন করতে পারবেন? কীভাবে আবেদন করা যাবে? সব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তা আপলোড করা হবে ওয়েবসাইটে। আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে বহু আলোচিত এই প্রকল্পের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া। ২ জুন, মঙ্গলবারের মধ্যে যাঁরা আবেদনপত্র জমা দেবেন, ৩ জুন তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা জমা পড়বে। আজ, বুধবার নবান্নে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম প্রকাশ অনুষ্ঠানে এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তাড়াহুড়ো না করার জন্য উপভোক্তাদের কাছে আবেদন করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, ‘সবাই টাকা পাবেন।’ এই সংখ্যা দু’কোটির আশেপাশে থাকবে বলে তাঁর অনুমান।

Advertisement

অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করা যাবে। ৯০ দিন ধরে চলবে এই প্রক্রিয়া। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু না হওয়া পর্যন্ত লক্ষীর ভাণ্ডার চালু থাকবে। কিন্তু লক্ষীর ভাণ্ডার প্রাপকদের কেন নতুন করে আবেদন করতে হবে? তার কারণ এদিন ব্যাখ্যা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বলা হয়েছিল লক্ষীর ভাণ্ডার প্রাপকদের তালিকাটা ভেরিফাইড। কিন্তু এনিয়ে আমাদের কাছে বিপুল অভিযোগ আসছে। ট্রাইবুনাল এবং সিএএ-তে আবেদন করেননি, এমন প্রায় ৩০ লক্ষ ব্যক্তি এই টাকা পাচ্ছেন। যাঁরা ভারতীয় নন বা এদেশের ভোটার তালিকা যাঁদের নাম নেই, তাঁরা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী যোগ্য ব্যক্তিদের এই অর্থ দেওয়া উচিত।’

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদনপত্র পূরণের জন্য ১৫ থেকে ১৭ জুন ‘জনকল্যাণ সহায়তা শিবির’ করবে রাজ্য সরকার। আবেদনপত্র পূরণ ও ঝাড়াই-বাছাইয়ের কাজে স্থানীয় বিধায়করা সাহায্য করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, ‘যাঁরা ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে সাহায্য করা হবে।’ জনকল্যাণ সহায়তা শিবির থেকে পারিবারিক তথ্যও সংগ্রহ করবে রাজ্য সরকার। অন্যান্য প্রকল্পের জন্য এই তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য। এই কাজে সরকারকে সহায়তার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সম্পর্কিত সংবাদ