লখনউ: ডায়ালিসিস চলাকালীনই লোডশেডিং। ঠিক সময়ে চালু হয়নি হাসপাতালের জেনারেটরও। ডায়ালিসিসের যন্ত্রে রক্ত আটকে যাওয়ায় মৃত্যু হল এক রোগীর। মর্মান্তিক ঘটনা উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর জেলা হাসপাতালে। এই ঘটনায় ফের একবার প্রকাশ্যে যোগীরাজ্যের বেহাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার ছবি।
গত শনিবার পুলসন্দা গ্রামের বাসিন্দা সরফরাজ আহমেদের ডায়ালিসিস চলছিল বিজনৌর জেলা হাসপাতালে। হঠাৎই লোডশেডিং হয়ে যায়। থমকে যায় ডায়ালিসিসের যন্ত্র। মেশিনেই আটকে যায় সরফরাজের রক্ত। জেনারেটর চালু না হওয়ায় চিকিৎসা আর শুরু করা যায়নি। ফলে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় বছর ছাব্বিশের যুবকের। মৃতের মা জানিয়েছেন, ‘যখন লোডশেডিং হয়, তখনও সরফরাজের অর্ধেক রক্ত যন্ত্রে। আমি হাসপাতালের কর্মীদের অনুরোধ করি জেনারেটর চালু করবার জন্য। কিন্তু কেউ সাহায্য করেননি। চোখের সামনেই আমার ছেলে মারা গেল।’ কিন্তু কেন চালু হল না জেনারেটর? হাসপাতালের এক কর্মী জানিয়েছেন, সঞ্জীবনী নামের যে বেসরকারি সংস্থা ডিজেল সরবরাহের দায়িত্বে ছিল। তারা সময়মতো ডিজেল সরবরাহ না করাতেই বিপত্তি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সঞ্জীবনী নামের ওই বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নতুন নয়। আগেও একাধিকবার সময়মতো ডিজেল সরবরাহ করেনি সংস্থাটি। শুধু সরফরাজ নন, ঘটনার সময় ডায়ালিসিস বিভাগে আরও কয়েকজন রোগী ছিল বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন জেলাশাসক যশজিৎ কাউর। তিনি জানান, হাসপাতালের ডায়ালিসিস বিভাগ অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন। পরিচালনায় অনেক গাফিলতি রয়েছে। গোটা ঘটনায় উপযুক্ত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।