Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

টাকা উদ্ধার কাণ্ডে বীরভূমের ব্যবসায়ীকে জেরা করতে চান তদন্তকারীরা

বীরভূমের যে অবৈধ খাদান ব্যবসায়ী টাকা পাঠাচ্ছিলেন কলকাতায়, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তদন্তকারীরা। কার কাছে এই টাকা যেত তদন্তকারীরা সেটা জানতে চাইছেন। তবে দুই অভিযুক্ত ইমরান ও আক্রাম যে এর আগেও টাকা নিয়ে শহরে এসেছেন তা তদন্তে উঠে এসেছে।

টাকা উদ্ধার কাণ্ডে বীরভূমের ব্যবসায়ীকে জেরা করতে চান তদন্তকারীরা
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বীরভূমের যে অবৈধ খাদান ব্যবসায়ী টাকা পাঠাচ্ছিলেন কলকাতায়, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তদন্তকারীরা। কার কাছে এই টাকা যেত তদন্তকারীরা সেটা জানতে চাইছেন। তবে দুই অভিযুক্ত ইমরান ও আক্রাম যে এর আগেও টাকা নিয়ে শহরে এসেছেন তা তদন্তে উঠে এসেছে। 

Advertisement

রবিবার নারায়ণপুর থানা এলাকার আকাঙ্ক্ষা মোড়ে একটি স্করপিও গাড়ি থেকে পাঁচ কোটি টাকা উদ্ধার করে বেঙ্গল এসটিএফ। টাকা নিয়ে ধরা পড়ে বীরভূমের বাসিন্দা আক্রাম খান ও ইমরান খান। তাদের জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, এবার তারা কম টাকা নিয়ে এসেছিল। প্রতিদিনই এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা আসে। ওই খাদান ব্যবসায়ীর কথামতো বিভিন্ন জনের কাছে টাকা পৌঁছে দেয়। টাকা আনার ক্ষেত্রে প্রতিবারই গাড়ি বদলে যায়। ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, দুই অভিযুক্তই ওই ব্যবসায়ীর আর্থিক দিকটি দেখভাল করে। বেআইনি খাদান থেকে যারা পাথর কিনত তারা নগদে পেমেন্ট দিত। এই টাকা তারা সংগ্রহ করত। নগদ রাখার জন্য আলাদা অফিস রয়েছে। ব্যবসায়ীকে প্রতিদিন জানিয়ে দিত কত টাকা পাথর বিক্রি করে এসেছে। এরপর ওই ব্যবসায়ী নির্দেশ দিতেন কলকাতায় কার কাছে, কত টাকা পৌঁছে দিতে হবে। সেইমতো অফিস থেকে টাকা নিয়ে বিভিন্নজনকে দিত। অনেকসময় কলকাতায় একবার টাকা পৌঁছে দিয়ে ভোরবেলা বীরভূমে ফেরার পর আবার টাকা দিতে শহরে এসেছে। তবে সেক্ষেত্রে টাকা দেওয়া হয়েছে অন্য ব্যক্তিকে। যাঁরা এই টাকা নিতেন, তাঁরা কারা সেটাই জানার চেষ্টা চলছে। ধৃতদের দাবি, রাস্তায় টাকা হাতবদল হয়ে যেত। তাদের মতোই কোনও ব্যক্তি গাড়িতে এসে টাকা নিয়ে চলে যেত। তাই এই নগদ কার কাছে এবং কোথায় যেত তা ওই ব্যবসায়ীর পক্ষে বলা সম্ভব বলেই দাবি অভিযুক্তদের।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ