Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ত্রিপুরার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়, তবু আলিপুরদুয়ারে মোদির সাক্ষাৎ চান চাকরিহারা শিক্ষকরা, আজ সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও

চাকরি ফিরে পেতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলিপুরদুয়ার সফরের সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কর্মহারা শিক্ষকদের একাংশ।

ত্রিপুরার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়, তবু  আলিপুরদুয়ারে মোদির সাক্ষাৎ  চান চাকরিহারা শিক্ষকরা, আজ সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও
  • ২৯ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চাকরি ফিরে পেতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলিপুরদুয়ার সফরের সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কর্মহারা শিক্ষকদের একাংশ। তাঁরা আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গার সঙ্গেও এ নিয়ে কথা বলেছেন। যদিও, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হওয়ার বিষয়টি এখনও পর্যন্ত অনিশ্চিত। তবে তাঁদের এই পদক্ষেপে অন্য প্রশ্ন উঠছে। ত্রিপুরায় ১০ হাজার শিক্ষক চাকরিচ্যুত হওয়ার পরে মোদি সরকার বা সেই রাজ্যের বিজেপি সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি। সেক্ষেত্রে চরম বিরোধী তৃণমূল শাসিত রাজ্যের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী কতটা উদ্যোগী হবেন, সে প্রশ্নও তুলছে শিক্ষকমহলের একাংশ। চাকরিহারাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নিজে যেমন তাঁর মতো করে চেষ্টা করছেন, তেমনই চাইছেন প্রধানমন্ত্রীর তরফেও উদ্যোগ নেওয়া হোক। শুধু প্রধানমন্ত্রীই নন, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও তাঁরা দেখা করতে চান। বিজেপি সূত্রের খবর, দলের তরফে প্রধানমন্ত্রীর আসার কথা চাকরিহারারা জেনেছিলেন। তখনই মনোজ টিগ্গার সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। অবশ্য, এ নিয়ে চারিদিকে আলোচনা শুরু হওয়ার পরে আন্দোলনকারীদের তরফে বুধবার রাতে জানানো হয়েছে, শিক্ষিকাদের একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করতে যাবে।

Advertisement

এদিকে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) ‘অযোগ্য’ চাকরিহারাদের একাংশ। কিন্তু বুধবার হাইকোর্টের গ্রীষ্মাবকাশকালীন বেঞ্চ তাঁদের আবেদন গ্রহণ করেনি। আদালত জানিয়েছে, এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। রিভিউ পিটিশনও বিচারাধীন। তাই আপাতত এই সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না। অযোগ্য বলে চিহ্নিতরা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে পারবেন না। পাশাপাশি বেতনও ফেরত দিতে হবে তাঁদের। এই পরিস্থিতিতে অযোগ্যদের একাংশ এদিন বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের গ্রীষ্মাবকাশকালীন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, তাঁদের স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বেতনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁদেরও সুযোগ দেওয়া হোক। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক উচ্চ আদালত। কিন্তু বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, এই সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। তার রিভিউ পিটিশনও শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন। ফলে এই মামলায় হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করবে না। অন্যদিকে, এই দলের অন্য অংশ মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে অভিযানের উদ্দেশ্যে জড়ো হয় হাজরা মোড়ে। পুলিস অবশ্য তাঁদের নিরস্ত করে। জনা চল্লিশেক বিক্ষোভকারীকে আটকও করা হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ