Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটার লিস্টে বাংলাদেশিদের নাম তোলার চেষ্টা, অভিযুক্ত নামখানার ২ সরকারি কর্মী, এফআইআর দায়ের

নির্বাচনী কাজ নিয়ে ফের শিরোনামে কাকদ্বীপ মহকুমা। এবার নামখানা ব্লকের দুই সরকারি কর্মীর নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন মহাকুমা শাসক মধুসূদন মণ্ডল।

ভোটার লিস্টে বাংলাদেশিদের নাম তোলার চেষ্টা, অভিযুক্ত নামখানার ২ সরকারি কর্মী, এফআইআর দায়ের
  • ২৮ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: নির্বাচনী কাজ নিয়ে ফের শিরোনামে কাকদ্বীপ মহকুমা। এবার নামখানা ব্লকের দুই সরকারি কর্মীর নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন মহাকুমা শাসক মধুসূদন মণ্ডল। তাঁদের বিরুদ্ধে এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজের পাশাপাশি অন্যের লগইন আইডি ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার ফর্ম পরীক্ষা করার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীরা বলছেন, টাকার বিনিময় বাংলাদেশিদের নাম তোলার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে কাকদ্বীপ জুড়ে। সপ্তাহ দুয়েক আগে কাকদ্বীপ ব্লকের যুগ্ম বিডিও স্বপন কুমার হালদারের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে থাকা ফোন নম্বর বদলে নিজের নম্বর দিয়ে বিভিন্ন ফর্ম নিষ্পত্তি করার অভিযোগে অরুণ গড়াই নামে একজন সহকারি সিস্টেম ম্যানেজারকে সাসপেন্ড করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

Advertisement

জানা গিয়েছে, নামখানা ব্লকের ইনসপেক্টর অব কোঅপারেটিভ সোসাইটিস তথা ওসি ইলেকশন পদে কর্মরত সুদীপ্ত বিশ্বাস এবং ওই ব্লকের নির্বাচনী বিভাগের করণিক অভিজিৎ পাত্রের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অরুণ গড়াইয়ের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই এই দু’জনকে নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। পরে জানা যায়, অভিজিৎ এবং সুদীপ্তবাবু দু’জনেই ভোটার তালিকার কাজের গরমিল করেছেন। অভিযোগপত্রে লেখা হয়েছে,  সুদীপ্তবাবু এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কাকদ্বীপ ব্লকের কিছু ফর্ম পরীক্ষা করেছেন। অন্যদিকে, নামখানার বিডিওর লগ ইন ব্যবহার করে বেশ কিছু ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন যাচাই করেছেন অভিজিৎবাবু। প্রশ্ন হল কীভাবে এবং কেনই বা দু’জনে এই কাজ করেছেন? প্রশাসনিক আধিকারিকরা তদন্তে জানতে পেরেছেন, টাকার বিনিময়ে এই কাজ করা হয়েছে। রাত ন’টা থেকে ১২টা  পর্যন্ত চলত এই অবৈধ কাজ। কখনও আবার সকাল আটটা থেকে ন’টার মধ্যেও কাজ হতো। কাকদ্বীপ ও নামখানার বিডিও উভয়ই জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। বিতর্ক হতেই জেলা প্রশাসন দু’জনকে আগেই নির্বাচনী কাজ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল এবং অফিসে আসতেও বারণ করা হয়েছে। এদিকে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও ফোন ধরেননি। মেসেজেরও উত্তর দেননি। আর অভিজিৎবাবুর ফোন আউট অফ সার্ভিস বলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ