Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জাতীয় শিক্ষানীতির বিকল্প জনশিক্ষা নীতি নিয়ে আলোচনা

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র বিকল্প হিসেবে জনশিক্ষা নীতির খসড়া নিয়ে বুধবার গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেছিল অল ইন্ডিয়া সেভ এডুকেশন কমিটি।

জাতীয় শিক্ষানীতির বিকল্প জনশিক্ষা নীতি নিয়ে আলোচনা
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র বিকল্প হিসেবে জনশিক্ষা নীতির খসড়া নিয়ে বুধবার গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেছিল অল ইন্ডিয়া সেভ এডুকেশন কমিটি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকিপ বিল্ডিংয়ে এই আলোচনায় যোগ দেন প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সিইও তথা রাজ্যসভার প্রাক্তন এমপি জহর সরকার, যাদবপুরের প্রাক্তন সহ উপাচার্য সিদ্ধার্থ দত্ত, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাকাডেমির বিজ্ঞানী ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য শান্তা দত্ত দে প্রমুখ।

Advertisement

জহরবাবু অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার মাতৃভাষার উন্নতির নামে শুধুমাত্র হিন্দির উন্নতিতেই টাকা খরচ করেছে। সিদ্ধার্থবাবুর বক্তব্য, এই নীতি কার্যকর হলে ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল বা অন্যান্য বিশেষ পেশাদারি কোর্সের সম্পূর্ণ বেসরকারিকরণ হয়ে যাবে। ধ্রুবজ্যোতিবাবু বলেন, পরিকাঠামো বৃদ্ধি, শিক্ষক নিয়োগ না করেই চার বছরের গ্র্যাজুয়েশন চালুর ফলে সংকট তৈরি হয়েছে। আগুপিছু না ভেবে পুরোপুরি মার্কিন ব্যবস্থাকে অনুকরণ করেই এই নীতি কার্যকর করেছে কেন্দ্র। প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ মিত্র স্কুলশিক্ষায় অনলাইনের বদলে ক্লাসরুম টিচিংয়ের গুরুত্ব উত্থাপন করেন। শান্তা দত্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সোচ্চার হন।
সেভ এডুকেশন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুণকান্তি নস্কর জনশিক্ষানীতির মূল দাবিগুলি তুলে ধরেন। সেখানে স্কুলে দ্বিভাষা নীতি, অর্থাৎ মাতৃভাষা ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, পাশফেল ফিরিয়ে আনা, জিডিপির ৬ শতাংশ, কেন্দ্রীয় বাজেটের ১০ শতাংশ এবং রাজ্যবাজেটের ২০ শতাংশ শিক্ষাখাতে খরচের পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। এছাড়াও, ডিগ্রি কোর্স চার বছরের পরিবর্তে তিন বছরে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিও তোলা হয়েছে এই শিক্ষানীতিতে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ