Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

নকশায় কারুকাজ

কোন রং আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই? কোন রঙের পোশাক পরলে আপনাকে সবথেকে বেশি ভালো লাগে? এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো আপনি জানেন। কিন্তু যখন পার্টনারের সঙ্গে পরিকল্পনা করে রং মিলিয়ে পোশাক পরা হয়, তখন আর এসব মনে থাকে না।

নকশায় কারুকাজ
  • ২১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কোন রং আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই? কোন রঙের পোশাক পরলে আপনাকে সবথেকে বেশি ভালো লাগে? এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো আপনি জানেন। কিন্তু যখন পার্টনারের সঙ্গে পরিকল্পনা করে রং মিলিয়ে পোশাক পরা হয়, তখন আর এসব মনে থাকে না। তা বললে চলবে কেন? রং মিলিয়ে পোশাক পরুন। কিন্তু সেখানেও যেন থাকে আপনার ব্যক্তিত্বের ছোঁয়া। বিয়ে হোক বা পার্টি, ঘরোয়া অনুষ্ঠান হোক বা কর্পোরেট গেট টুগেদার— জুটির নিমন্ত্রণ থাকলে একই রঙের পোশাক পরা এখনকার ট্রেন্ড। কিন্তু অনেকসময় এক রং হয়তো হয় না। তবে কাছাকাছি রঙের পোশাক পরতে পছন্দ করেন অনেকেই। তেমন আইডিয়াই রইল এবারের ফ্যাশনে। 
অঙ্কিতা মল্লিক অভিনেত্রী। চরিত্রের প্রয়োজনে নানা ধরনের পোশাক পরেন। তবে শাড়ি তাঁর পছন্দের তালিকার উপর দিকে থাকে। অঙ্কিতার পরনে রয়েছে একটি কাঁথাস্টিচের শাড়ি। রাস্ট রঙের শাড়িতে রয়েছে সাদা সুতোর কাজ। নিখুঁত এই সূচিশিল্প। সিল্ক বা তসরের শাড়িতে এই ধরনের হাতের কাজ আসলে অমূল্য। বংশপরম্পরায় এই শাড়ির হাতবদল হতে পারে। অঙ্কিতা এর সঙ্গে বেছে নিয়েছিলেন সাদা ডিজাইনার ব্লাউজ এবং মুক্তোর গয়না। চুলের সুন্দর খোঁপায় টাটকা ফুল। গ্লসি লিপস্টিক এই বাঙালি সাজের সঙ্গে মানানসই। কাঁথা আসলে এমন এক শাড়ি যা ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। সে কারণেই যে কোনো অনুষ্ঠানে তা পরা যায়। শুধু সঠিক ভাবে ক্যারি করতে হবে। কাঁথার কাজ শুধুমাত্র সিল্ক বা তসরে তৈরি হয়, এমনটা নয়। সুতির শাড়িতেও অপূর্ব কাঁথার কাজ করেন শিল্পীরা। সিল্ক বা তসর সাধারণত শীতে পরে আরাম। তবে কাপড়ের মান ভালো হলে তা সারা বছর পরা যায়। এবার কেউ জুটিতে নিমন্ত্রণ পেলে রং মিলিয়ে পোশাক পরতে চাইলে, এই শাড়ির সঙ্গে কোন ধরনের রং ভালো মানাবে?
অভিনেতা যশ দাশগুপ্তর পরনে রয়েছে সুতির শার্ট। চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুটে এই শার্ট তিনি পরেছিলেন রেগুলার জিনস দিয়ে। মেরুন রঙের প্রিন্টেড শার্ট গরমের জন্য আদর্শ। আবার কেউ রং মিলিয়ে পোশাক পরে কোনো নিমন্ত্রণে যেতে চাইলে রাস্ট বা অরেঞ্জের সঙ্গে এই ধরনের মেরুন ভালো মানাবে। পাশাপাশি হালকা ফ্যাব্রিকের জন্য আরামদায়কও হবে।
সাজ যেমনই হোক, তা যেন ব্যক্তিত্বকে আরও সুন্দর করে তোলে। সেটাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। অঙ্কিতা এবং যশ দু’জনেই পোশাকের ক্ষেত্রে আরামকে প্রাধান্য দেন। তাঁরা মনে করেন, রং মিলিয়ে পোশাক পরা যেতেই পারে। কিন্তু তা যেন মানানসই হয়। যে রং আপনি একেবারেই পরেন না, তা সঙ্গীর সঙ্গে মেলাতে হবে বলে পরে ফেললেন, এই ধরনের সাজের আসলে কোনো মানে নেই। ফ্যাশন সচেতন দুই সেলেব জানালেন, তাঁদের কাছে স্টাইল গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যাশনে যা ট্রেন্ড, সেটা মেনে পোশাক পরার বিরোধী দু’জনেই। বরং পোশাকের মাধ্যমে নিজস্ব স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে পছন্দ করেন। পোশাকের সঙ্গে সঠিক মেকআপ, গয়না, অ্যাকসেসরিজ কোনো লুক সম্পূর্ণ করে তোলে। তাই সাজের সময় সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

Advertisement

স্বরলিপি ভট্টাচার্য

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ