Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যের তিন হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়া ভর্তির অনুমোদন বাতিল

রাজ্য সরকার অধীনস্থ ৪টি এবং সরকার অনুমোদিত ৭টি প্রাইভেট—সবসুদ্ধ ১১টি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে রাজ্যে।

রাজ্যের তিন হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়া ভর্তির অনুমোদন বাতিল
  • ২৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা; রাজ্য সরকার অধীনস্থ ৪টি এবং সরকার অনুমোদিত ৭টি প্রাইভেট—সবসুদ্ধ ১১টি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে রাজ্যে। এছাড়াও আছে কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় প্রতিষ্ঠান তথা উৎকর্ষকেন্দ্র সল্টলেকস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথি। 

Advertisement

কোথাও ১৪ জন, কোথাও ১৮, কোথাও আবার ১৯ জন শিক্ষক চিকিৎসকের অভাব। একাধিক কলেজ কাম হাসপাতালে ইমার্জেন্সিই না থাকা অথবা থাকলেও সেখানে কোনও কাজই না হওয়া। কোনও জীবনদায়ী ওষুধ, অ্যানাসথেশিয়ার  পরিকাঠামো না থাকা। পরিদর্শনে এমন সব গুরুতর লোকবল ও পরিকাঠামোগত গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে বেশ কয়েকটি কলেজ নিয়ে। তারপরই এই ১১টি কলেজের মধ্যে তিনটিতে চলতি শিক্ষাবর্ষে ছাত্রছাত্রী ভর্তির অনুমোদনই বাতিল করে দিল হোমিওপ্যাথির শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিওপ্যাথি (এনসিএইচ)। আরও দুটি কলেজের ছাত্রছাত্রী ভর্তির ক্ষমতা কমিয়ে অর্ধেক করেছে তারা। এই পাঁচ কলেজই প্রাইভেট হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ। তা বাদেও রাজ্যের অন্যতম পুরনো সরকারি কলেজ—মেদিনীপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের আসনও কমিয়েছে তারা। টানা কেন্দ্রীয় ইনসপেকশনের ধাক্কায় একলপ্তে রাজ্যে কমল ২১৮টি বিইচএমএস আসন। এর মধ্যে প্রাইভেট আসন ২০৫টি। সরকারি ১৩টি। তবে বাকি ৫টি সরকারি-প্রাইভেট হোমিওপ্যাথিক কলেজও খুব স্বস্তিতে নেই। গুচ্ছ খামতিতে ভরা পরিদর্শন রিপোর্ট গিয়েছে তাদের কাছেও। 
এবার দেখা যাক, রাজ্যের কোন কোন প্রাইভেট হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রছাত্রী ভর্তির অনুমোদনই হয়েছে বাতিল? সেগুলি হল প্রতাপচন্দ্র, আসানসোল ও খড়্গপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ। সে-কারণে তিন কলেজ মিলিয়ে কমল ১৬০ আসন। অন্যদিকে,  বর্ধমান এবং সাঁইথিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের বিএইচএমএস আসনসংখ্যা কমিয়ে অর্ধেক করেছে এনসিএইচ। আসন কমে হয়েছে বর্ধমানে ২৫, সাঁইথিয়ায় ৩০। সরকারি কলেজের মধ্যে মেদিনীপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের ১৩টি আসন কমেছে। ফলে চলতি শিক্ষাবর্ষে ৬৩’র বদলে তারা ৫০ আসনে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করতে পারবে। অনুমোদন পাওয়া ডি এন দে, ক্যালকাটা, মহেশ ভট্টাচার্যের মতো নামজাদা সরকারি কলেজগুলিকেও জাতীয় কমিশন জানিয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্যসচিবকে খামতি পূরণ করবার মুচলেকা দিতে হবে। আর একমাসের মধ্যে বেশকিছু খামতি পূরণ করতে হবে। তবেই অনুমোদন টিকবে। না-হলে নয়।

সম্পর্কিত সংবাদ