Bartaman Patrika
ভ্রমণ
 

লাটপাঞ্চারে দেখা হতে পারে রেড পাণ্ডার সঙ্গে 

অজন্তা সিনহা: প্রথম একা একা বেড়াতে যাওয়া এবং এক অনামি পাহাড়ি গ্রামে। প্রায় দু’দশক আগে এক বাঙালি মধ্যবিত্ত মহিলার পক্ষে ব্যাপারটা যথেষ্ট দুঃসাহসিক ছিল বলাই বাহুল্য। মনে পড়ছে ট্রেনের কথা। কামরায় একটি বড় পরিবার ছিল। পরিবারের মহিলাদের একজন তো অবাক হয়ে জিজ্ঞেসই করে ফেললেন, ‘আপনার স্বামী আপনারে একা ছাইড়া দিল?’ খুব মজা পেয়েছিলাম। এরপর তো বহুবারই বেরিয়ে পড়েছি একা একা। কিন্তু প্রথম একা যাওয়ার ব্যাপারটাই আলাদা। পূর্ণ স্বাধীনতা লাভের মতোই একটা অনুভূতি। বিশেষ করে এই কারণেই বোধহয় বহু বছর আগে গেলেও লাটপাঞ্চার আমার স্মৃতিতে আজও অম্লান।
অফিসের এক সহকর্মীর কাছে হদিশ মেলে জায়গাটির। শুরু থেকেই ঠিক করেছিলাম কোনও চেনা জায়গা নয়। বড্ড লোকের ভিড়। খুঁজে পাওয়া গেল লাটপাঞ্চার। নাকি লাটসাহেবের গাড়ি এখানে এসেই পাঞ্চার হয়ে গিয়েছিল, তাই এমন নামকরণ। সত্যি জানার উপায় নেই। অত উঁচুতে লাটসাহেব আদৌ গিয়েছেন কিনা, তা ঈশ্বর ছাড়া কেউ জানেন না। উত্তরবঙ্গের নানা পাহাড়ি গ্রামে ঘোরার সুবাদে আজব-গজব সব নাম পেয়েছি। কোনও নামের অর্থ জানা গিয়েছে, কোনওটা যায়নি। সে হোক, লাটসাহেব না এলেও সাহেবদের এখানে আসা-যাওয়া ছিল। মূল্যবান সিঙ্কোনা চাষের জন্য বিখ্যাত এই অঞ্চলের অনেকটাই ছিল একদা ব্রিটিশের অধীন।
সেসব বৃত্তান্ত পরে। আগে শুরুর কথা। সারাদিন অফিস করে রাতের ট্রেনে আধো ঘুম আধো জাগরণে কাটিয়ে যখন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছলাম তখন সবে অন্ধকার কাটছে। একেবারে অচেনা সব। যাই হোক, সেই সহকর্মীর পরামর্শ মেনে একটা রিকশ করে স্টেশনের কাছের এক টেলিফোন বুথে এলাম। মোবাইল ফোন তখন কোথায়? বুথ থেকে গাড়ির মালিককে ফোন করি। সে বেচারা সম্ভবত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তখনও। শিলিগুড়ি শহরের ঘুম একটু দেরিতেই ভাঙে। গাড়ি কলকাতা থেকেই রিজার্ভ করা ছিল। যাই হোক ঘণ্টাখানেক অপেক্ষার পর একটি সাদা মারুতি ভ্যান এল আমার বাহন হয়ে। ড্রাইভার এক নেপালি তরুণ।
স্টেশন চত্বর ছাড়িয়ে, শিলিগুড়ি শহর পার হয়ে সেবক। সেই প্রথম তিস্তার সঙ্গে দেখা। সে যে কী মোহাবিষ্ট এক অবস্থা ! ততক্ষণে সূর্য আকাশ জুড়ে বিরাজমান। শরতের পেঁজা-তুলো মেঘ পুজোর আবেশ ছড়িয়ে দিয়েছে দিকদিগন্তে। সেবক রোড , তারপর মহানন্দা রেঞ্জ। দুপাশে জঙ্গল ফেলে সোজা চলে গিয়েছে পিচ রাস্তা। তারপরই তিস্তা। কিছুক্ষণ যাওয়ার পর কালিঝোরা। এখান থেকেই গাড়ি বাঁদিকের কিছুটা কাঁচাপাকা এক পাথুরে রাস্তা ধরল। এখন শুধুই চড়াই। পাহাড় বেষ্টন করে রাস্তা উঠেছে। সেই রাস্তা ধরেই গাড়িও উঠছে উপরে। যতই উঠুক তিস্তা রয়েছে দৃষ্টিপথে। সে যাত্রা রোমাঞ্চকর, আবার বিপজ্জনকও বটে। কোথাও কোথাও রাস্তা একেবারে খাড়া। কোথাও বা এত সরু যে একচুল এদিক ওদিক হলেই সোজা খাদে। এটা ঠিক এই সব অনির্বচনীয়তার জন্যই তো পাহাড়ে আসা। নেপালি ড্রাইভার গান শুনতে শুনতে অতি দক্ষতায় চড়াই চড়িয়ে শেষে পৌঁছে দিল হোম স্টে-র দরজায়। হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন এক নেপালি ভদ্রলোক। এদিক ওদিক থেকে কিছু কৌতূহলী মুখ। সেইসব পেরিয়ে ভিতরে ঢুকি।
লাটপাঞ্চারে তখন একটাই থাকার জায়গা। বেশ সমৃদ্ধ এক নেপালি পরিবার। বাড়ির নীচতলায় নিজেরা থাকেন। ওপরের তিনটি ঘর অতিথির জন্য নির্দিষ্ট। তারই একটিতে আমার থাকার ব্যবস্থা। ঝটপট স্নান করে ফ্রেশ হই। ঘরের একপাশের বিশাল কাচের জানালা খুলে দিতেই পুরো প্রকৃতি যেন ঘরের ভিতর চলে এল। যতদূর চোখ যায়, শুধুই পাহাড়। ওপরে নীল আকাশ। মেঘের দল নেমে এসেছে পাহাড়ের কোলে। সে এক অপূর্ব দৃশ্যকাব্য ! সম্বিত ফেরে এক মহিলার ডাকে। জানান, লাঞ্চ রেডি।
মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারির অন্তর্গত লাটপাঞ্চার। উচ্চতা ৪ হাজার ২০০ ফুট। কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন মেলে। কাছাকাছি ঘন জঙ্গল। প্রায় ৩৬ প্রজাতির পশু আছে এখানে। হরিণ, বার্কিং ডিয়ার, ব্ল্যাক ডিয়ার, বানর, লেপার্ড আছে শুনলাম। মাঝে মাঝে হাতিরাও অনেকটা উঠে আসে। আর আছে রেড পাণ্ডা। তার দুর্লভ দর্শন সে যাত্রায় ভাগ্যে ঘটেছিল। বাকি কারও দেখা মেলেনি। হোম স্টে-র মালিক বললেন লেপার্ড মশাইয়ের দেখা না পাওয়াই ভালো। ছাগল, বাছুরদের সুযোগ পেলেই আক্রমণ করে। মানুষকে কি আর রেয়াত করবে? ফুলের বাহার দেখবার মতো। প্রায় সবার বাড়ির সামনেই বাগান রয়েছে। জঙ্গলে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। সেখানে পাখিদের রীতিমতো মিটিং হয় দেখলাম। প্রায় ২৪০ প্রজাতির পাখি আছে এখানে, অনেকেই বেশ বিরল তাদের মধ্যে। হোম স্টে থেকে এক-দু পা এগোলেই জঙ্গল। দিনের বেলাতেও সেখানে অন্ধকার, এতটাই ঘন গাছগাছালি। বাড়ির সামনে ফুলের বাগানে প্রজাপতির ওড়াউড়ি। ভয়ডর নেই, নিশ্চিন্তেই আছে তারা।
জঙ্গল লাগোয়া এই ছোট্ট গ্রামে অল্প কয়েকঘর লোকের বসবাস। বেশির ভাগই সিঙ্কোনা চাষের সঙ্গে যুক্ত। দুই-একজন পুলিস বা আর্মিতে। কারও কারও বাড়িতে নার্সারি আছে। জমিও আছে অল্পস্বল্প। দিন গুজরান হয়ে যায় কোনওমতে। অভাব আছে , কিন্তু অভিযোগ নেই। ঘুম ভাঙতেই নারী-পুরুষ কাজে লেগে পড়েন। ঝাড়পোছে ঝকঝকে করে তোলেন পুরো গ্রামটাই। প্রথম দিনেই গ্রামের বাচ্চাকাচ্চা চলে এল আমার সঙ্গে আলাপ করতে। তারপর থেকে যে ক’দিন ছিলাম সঙ্গ ছাড়েনি ওরা আমার। সকাল-বিকেল পায়ে হেঁটে ওদের সঙ্গেই ঘুরে বেড়িয়েছি গ্রাম আর জঙ্গলের পথে। ঘুরতে ঘুরতেই জেনেছি কিছুটা নীচে জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত সাহেবি আমলের বাংলোর কথা। সেই ১৯০০ সালে সিঙ্কোনা চাষের সূত্রে সাহেবরা এখানে থাকতেন। এখন রাজ্য বন উন্নয়ন নিগমের অধীনে অতিথিশালা। গ্রাম থেকে অনেকটা উঁচুতে সিঙ্কোনা চাষের খেত। শুনলাম দুর্গাপুজো হচ্ছে ওখানেই। অত উঁচুতে ওঠার উপায় নেই। বাচ্চাপার্টি প্রসাদ এনে খাওয়ায়। পরম আদরে রোজ সকালে পুজোর পর কপালে টিকা লাগিয়ে দিয়ে যায়। টেনে নিয়ে যায় নিজেদের ঘরে। কী সুন্দর যে ওদের জীবনযাপন। কী গুণী মানুষজন। বিত্তের অভাব ওদের সৌন্দর্যবোধকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারেনি।
প্রায় ১৪০০ একর জমি জুড়ে সিঙ্কোনা চাষ, সঙ্গে বেশ কয়েকটি কারখানাও আছে। ঘুরে দেখতে ভালোই লাগে। এছাড়া গ্রামের ভিতর থেকেই পথ গিয়েছে জঙ্গলে। একটু দূরে অহল দারা ভিউ পয়েন্ট। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন এক অতুলনীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে। এখান থেকে তিস্তাও বড় অপরূপ। থাকার জন্য কিছু কটেজ হয়েছে এখন । কাছাকাছি নামথিং লেক, যার পাশে ঘন হয়ে আছে পাইন বন। যেন পটে আঁকা ছবি। বিরল হিমালয়ান সালমন্দরের দেখা পাবেন নামথিং পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে। এছাড়াও অতি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সিল্ক রুটও কাছেই। লাটপাঞ্চারে সিঙ্কোনা ছাড়াও জঙ্গলে রয়েছে শাল, টিক ও পাইনের মহার্ঘ বিলাস।
হোম স্টে-র খাওয়াদাওয়া খুবই সহজ সরল। ভাত-রুটি, সঙ্গে ডাল, ডিম, চিকেন বা সব্জি। ব্রেকফাস্টে পুরি-সব্জি বা আলুর পরোটা। চা-কফির সঙ্গে সন্ধ্যায় কিছু স্ন্যাকস। সুস্বাদু রান্না। গরম গরম পরিবেশন। পরিচ্ছন্নতা সর্বত্র। আর অনাবিল আন্তরিকতা। মনেই হবে না ঘরের বাইরে এসেছেন। মনে পড়ছে , ফেরার ঠিক আগের দিনের কথা। একদিন আগে কলকাতা থেকে একদল ছেলে এসেছে। তারা আসার পর স্বাভাবিক ভাবেই নির্জন নিঃশব্দ গ্রামে কিছু শোরগোল শোনা যাচ্ছে। যদিও তা উচ্চকিত নয়। পাহাড়ি এই গ্রামের মিষ্টি জীবনছন্দে মেতেছে ওরাও। আকাশ ঝকঝকে। তারারা যেন কথা বলছে। হোম স্টে-র সামনের চাতালে ছড়িয়ে বসেছি আমরা। খুব আড্ডা হচ্ছে। কয়েকবার চা হয়ে গেছে। আমার একলা ভ্রমণে ওরাও বেশ অবাক। এমন সময় গ্রামেরই এক তরুণ এসে জানায় রেড পাণ্ডার দেখা পাওয়া গিয়েছে। ছুট ছুট। সবাই গিয়ে সেই গাছের সামনে দাঁড়াই, যেখানে তিনি অধিষ্ঠান করছেন। ছোটখাটো চেহারার সেই প্রাণী তো প্রায় লজ্জায় মরেই যায়। কিছুক্ষণ ইতিউতি তাকিয়ে ধীরেসুস্থে ডালপালার আড়ালে চলে যায় সে। আমরা ঘরে ফিরি। আলোচনায় উত্তেজিত সবাই। কিছু তো একটা দেখা গিয়েছে! ফেরার সময় মনটা ভালো হয়ে গেল।
কিছু জরুরি তথ্য। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে লাটপাঞ্চার পৌঁছতে এক ঘণ্টা পঞ্চাশ মিনিট মতো লাগে। বাগডোগড়া থেকে একটু বেশি। গাড়ি রিজার্ভ করে যাওয়াই ভালো। পিক আপ ও ড্রপের ব্যবস্থা করে হোম স্টে থেকেই। এনজেপি থেকে ভাড়া মোটামুটি ২০০০ টাকা। হোম স্টে-র থাকাখাওয়ার খরচ দিনপ্রতি জনপ্রতি ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা। সাইট সিয়িং-এর জন্য গাড়ির ব্যবস্থা হোম স্টে থেকেই করে দেয়। জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানো , পাখি ও গাছপালা দেখার জন্য গ্রামেই গাইড পাওয়া যায়। সব থেকে ভালো সময় অক্টোবর থেকে মে। বর্ষা এড়িয়ে যাওয়াই শ্রেয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে গেলে যথেষ্ট শীতপোশাক সঙ্গে থাকা আবশ্যক। কিছু শুকনো খাবার, টর্চ, মোম-দেশলাই, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ফার্স্ট এইড বক্স সঙ্গে রাখুন। প্রয়োজনে দার্জিলিং ট্যুরিজমের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যেতে পারে।
ছবি: লেখক 
01st  September, 2019
সুন্দরী ছিবো 

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী: দার্জিলিং থেকে মাত্র ৬ কিমি দূরে এক অসামান্য পার্বত্য সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান ছিবো। এখানকার পাহাড়ের গায়ে গজিয়ে ওঠা বাড়িঘর দেখলে মনে হবে কাঠের বাক্স সাজানো রয়েছে পাহাড়ের ঢালে।   বিশদ

15th  March, 2020
বারবার সা ম থা র 

নবনীতা ভট্টাচার্য: গুহার সামনে গিয়ে থমকে দাঁড়ালাম। ঢালু জমি থেকে অন্ধকারে ঢুকে গিয়েছে গুহার মুখ। মরচে ধরা শুকনো পাতায় ঢাকা শুরুর পথ। হুড়মুড়িয়ে ঢুকতে গিয়ে বকুনি খেলাম।  বিশদ

15th  March, 2020
গ্রামীণ সংস্কৃতির নিদর্শন
রাজস্থানের শিল্পগ্রাম

 অয়ন গঙ্গোপাধ্যায়: রাজস্থানের উদয়পুর শহরের একপ্রান্তে রয়েছে আরাবল্লী পর্বতের সীমারেখা। সেই পাহাড়ের পাদদেশেই ৭০ একর জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে পশ্চিম ভারতের গ্রামীণ শিল্প-সংস্কৃতির অপূর্ব নিদর্শন সমৃদ্ধ এথনিক ভিলেজ ‘শিল্পগ্রাম’। বিশদ

01st  March, 2020
  ভ্রমণ মেলার আকর্ষণ ছিল কাশ্মীর

 সম্প্রতি ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে হয়ে গেল তিন দিনের ভ্রমণ মেলা— ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার সামার। দ্বিতীয় বছরের এই ভ্রমণ মেলায় প্রধান আকর্ষণ ছিল জম্মু-কাশ্মীরের স্টল। ৩৭০ ধারা বিলোপের পরে এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটিতে পর্যটন ব্যবসা ভয়ঙ্কর ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। বিশদ

01st  March, 2020
মানালিতে ইগলু  

বরফে ঢাকা মানালিতে এবার অন্যতম আকর্ষণ ইগলু হোটেল। এই শীতে যাঁরা মানালি যাবেন, তাঁরা নতুন অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে পারেন। নিজেদের এস্কিমো ভেবে থাকতে পারেন ইগলুতে। স্কি ড্রাইভাররা নিজেদের থাকার জন্য এই ইগলুগুলি তৈরি করেন বরফ দিয়ে। পর্যটকদের যদি ইগলুতে থাকার সুযোগ করে দেওয়া যায়, সেই ভাবনাতেই এই ইগলু হোটেলের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।  
বিশদ

16th  February, 2020
হীরক রাজার দেশে 

পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর সাব-ডিভিশনের অন্তর্গত নান্দুয়াড়া গ্রামের জয়চণ্ডী পাহাড়। আদ্রা জংশন স্টেশন থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অপূর্ব সুন্দর পাহাড়। প্রায় ৪৫০টি সিঁড়ি কষ্ট করে বেয়ে পাহাড়ের উপর উঠতে হয়। উপরে রয়েছে জয়চণ্ডী মাতার মন্দির ও বজরঙ্গবলীজির মন্দির। 
বিশদ

16th  February, 2020
গ্যারান্টেড ডিপারচার পরিষেবা আসছে 

শুভজিৎ ঘোষ: বিগত কয়েক বছরে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পে ভারত খুবই উন্নতি করেছে। আর এই উন্নত বাজারকে মাথায় রেখেই পর্যটন সংস্থা ‘এসওটিসি’ ভারতে আরও বেশি করে বিনিয়োগ করতে চাইছে। প্রসঙ্গত, এই বছর সংস্থার ৭১তম বর্ষও বটে।  
বিশদ

16th  February, 2020
ভালো থেকো চুইখিম 

অজন্তা সিনহা: সদ্য চাকরি থেকে অবসর নিয়েছি। ভিলেজ ট্যুরিজম নিয়ে কাজ করছেন এমন একজনের কাছে খবর পেলাম চুইখিমের। এবারের ট্রিপে আমার সঙ্গী আরও তিন কর্মব্যস্ত তরুণী। তাঁরা থাকেন কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বই। তিন শহরের মহিলা ব্রিগেড নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে চললাম চুইখিম।  
বিশদ

16th  February, 2020
ইন্দোনেশিয়ার লুয়াক কফি 

প্রতিমা ঘোষ: ইন্দিনেশিয়া থেকে ফিরেছি ১৫-১৬ দিন হল । মনে পড়ে গেল জোক জাকার্তার নামী-দামি, সুস্বাদু ‘লুয়াক কফি’র কথা। জোক-জার্কাতার বিশ্ববিখ্যাত বৌদ্ধমন্দির ‘বরোবুদুর’ দেখানোর পর গাইড জানালেন, বিকেলে এখানের প্রসিদ্ধ কফি গার্ডেন দেখবেন। সেখানে ‘লুয়াক কফি’ টেস্ট করবেন। কিনেও নিয়ে যাবেন বন্ধুদের জন্য। 
বিশদ

02nd  February, 2020
পিকনিকে বা ছোট্ট ছুটিতে ঘুরে আসার ঠিকানা
বেলুড় রাসবাড়ি 

উত্তরা গঙ্গোপাধ্যায়: জানেন কি কলকাতা থেকে হুগলি নদী পার করে গঙ্গার পাড়ে রয়েছে এমন এক জায়গা যেখানে বেড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন বাংলার মন্দির স্থাপত্যের সঙ্গে, জানতে পারেন ইতিহাসের টুকরো গল্প?  
বিশদ

02nd  February, 2020
টিকটক 

হাওড়া ব্রিজে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড
কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের ১৫০ বছর পূর্তিতে দেশবাসীকে উপহার আলোক ধ্বনিতে সাজানো হাওড়া ব্রিজ।  
বিশদ

19th  January, 2020
পাকদণ্ডী পথ বেয়ে উটি 

সুপ্রিয় নায়েক: পিছনে ধূসর আকাশ। আর সামনে প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর মতো আধশোয়া অলস নীলগিরি। তারই পিঠ আষ্টেপৃষ্ঠে পেঁচিয়ে সাপের মতো উঁচুতে গিয়েছে পাকদণ্ডী পথ। সেই সাপের প্রান্ত পড়ে থাকে বুরলিয়রে। তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার ছোট্ট গ্রাম। সেখান থেকেই শুরু চড়াই।  
বিশদ

19th  January, 2020
জেমস বন্ড আইল্যান্ড 

অয়ন গঙ্গোপাধ্যায়: দ্বীপের নাম ‘জেমস বন্ড’। নামটা শুনেই মনে হবে এখনই চলে যাই প্রকৃতির অসামান্য সৌন্দর্যে মোড়া অতুলনীয় সেই দ্বীপে। থাইল্যান্ডের দক্ষিণপ্রান্তে আন্দামান সাগরে ভাসমান বিখ্যাত দ্বীপ ফুকেত। 
বিশদ

19th  January, 2020
মোহিনী হিমালয় 

সাতের দশকের শেষের দিকের কথা। সবে মাত্র যৌবনে পা রাখা কিশোরের যেমন সব বাধা অতিক্রম করার স্বপ্ন দু’চোখে থাকে, ঠিক তেমনই কোনও দুঃসাহসের ওপর ভর করে বয়সে কিছুটা বড় বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ি থেকে এক জামাকাপড়ে পালিয়েছিলাম সান্দাকফু থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার লোভ নিয়ে। 
বিশদ

05th  January, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাসপাতালের দরজায় দরজায় ঘুরে প্রায় বিনা চিকিৎসায় তরতাজা ছেলেকে হারানো বাবা-মা অবশেষে ন্যায়ের প্রতীক আদালতের দরজায় মাথা কুটে সামান্য হলেও বিচার পেলেন। ...

সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: বাবা পেশায় দিনমজুর। আয় আছে, নেই সঞ্চয়। দিন আনা, দিন খাওয়া পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলেও একদিন ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজেকে দেখতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: সোমবার গভীর রাতে আরামবাগ শহরের কালীপুরে তৃণমূলের পতাকা ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শাসক দলের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই ওই কাজ করেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।   ...

সংবাদদাতা, মালদহ: মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আধুনিক ট্রমা কেয়ার সেন্টারটি নভেম্বর মাস নাগাদ চালু হতে পারে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরেই এই বিশেষ চিকিৎসা কেন্দ্রটি চালু করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পড়শির ঈর্ষায় অযথা হয়রানি। সন্তানের বিদ্যা নিয়ে চিন্তা। মামলা-মোকদ্দমা এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেমে বাধা।প্রতিকার: একটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: সাহিত্যিক অক্ষয়কুমার দত্তের জন্ম
১৯০৩: রাজনীতিক কে কামরাজের জন্ম
১৯০৪: রুশ লেখক আস্তন চেকভের মৃত্যু
১৯৫৪: আর্জেন্তিনার ফুটবলার মারিও কেম্পেসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৬ টাকা ৭৬.১৭ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৩ টাকা ৯৬.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৮৮ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১, ৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২, ০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী ৪৩/৯ রাত্রি ১০/২০। ভরণী ২৯/৭ অপঃ ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৫/৪/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২০/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৩ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।  
৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী রাত্রি ৮/৪৩। ভরণী নক্ষত্র অপরাহ্ন ৪/৭। সূযোদয় ৫/৪, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৪ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।
২৩ জেল্কদ  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকে ষষ্ঠ রায়গঞ্জের সমরিত সিংহ ইঞ্জিনিয়ার হতে চান 
রায়গঞ্জ করোনেশন বিদ্যালয়ের ছাত্র সমরিত সিংহ রাজ্যে ষষ্ঠ হয়েছেন। ...বিশদ

11:39:32 AM

মাধ্যমিকে সপ্তম রামপুরহাটের শুভদীপ চন্দ্র চিকিৎসক হতে চান 
মাধ্যমিকে রাজ্যে সপ্তম রামপুরহাট জে এল বিদ্যাভবনের ছাত্র শুভদীপ চন্দ্র। ...বিশদ

11:37:39 AM

মাধ্যমিকে দশম সম্প্রিতী রায়, অয়ন শেঠ, দেবাঞ্জন দে, সায়ন কর্মকার, রুপসা সাহা, জুনায়েদ হাসান, দেবাত্রেয় দাস, শঙ্খশুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কন পাত্র, অঙ্কন দাস বৈরাগ্য, প্রভাত দত্ত, শেখ পারভেজ জিত, প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৩
মাধ্যমিকে দশম সম্প্রিতী রায়, অয়ন শেঠ, দেবাঞ্জন দে, সায়ন কর্মকার, ...বিশদ

11:26:41 AM

মাধ্যমিকে নবম শ্রেয়া সর্দার, অঙ্কিতা মণ্ডল, অয়নদীপ সান্নিগ্রাহী, সাবানা হাতি, অনুশ্রী ঘোষ, উর্জশী মণ্ডল, শুভদীপ ব্যানার্জি, তন্ময় বর, শুভদীপ বৈদ্য, সায়ক বণিক, প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪ 

11:21:11 AM

মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারী অরিত্র পাল গবেষক হতে চান 
মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারী অরিত্র পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ...বিশদ

11:18:29 AM

মাধ্যমিকে অষ্টম বরুণদিত্ত সাহা, নাজিন আজাদ, মহঃ তাহিনুজ্জামান, সুপ্রতীক পণ্ডিত, অঙ্কিতা ঘোষ, শুভঙ্কর মাইতি, সৌমপ্রভ দে, মহাজন দেবনাথ, মঞ্জুস হালদার, অয়ন ঘোষ, সৌম্যদীপ সর্দার, প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫ 

11:18:02 AM