Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মহানগরে বসে চণ্ডীগড়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার যুবক

কলকাতায় বসে চণ্ডীগড়ের বাসিন্দার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ইমরান আনসার নামে এক যুবককে বাঁশদ্রোণী থেকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করল চণ্ডীগড় পুলিস।

মহানগরে বসে চণ্ডীগড়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার যুবক
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতায় বসে চণ্ডীগড়ের বাসিন্দার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ইমরান আনসার নামে এক যুবককে বাঁশদ্রোণী থেকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করল চণ্ডীগড় পুলিস। ইমরান প্রতারণা চক্রের মূল মাথা বলে দাবি চণ্ডীগড় পুলিসের।

Advertisement

চণ্ডীগড়ের ওই বাসিন্দার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সাবস্ক্রিপশনের দরকার ছিল। কিন্তু নম্বর না থাকায় তিনি টাকা রিচার্জ করতে পারছিলেন না। গুগলে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারের নম্বর খুঁজছিলেন। সেখানে একটি নম্বর পান। সেটিতে যোগাযোগ করলে তাঁকে বলা হয়, সাবস্ক্রিপশনের জন্য একটি লিঙ্ক পাঠানো হচ্ছে। তাতে ক্লিক করলেই অপশন পাওয়া যাবে। সেখান থেকে পেমেন্ট করে দিতে পারবেন ওই ব্যক্তি। কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি একটি মেসেজ পান। তাতে ক্লিক করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সহ কিছু তথ্য দেন। এরপর কার্ড দিয়ে রিচার্জও করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি মোবাইলে একটি মেসেজ পান। তাতে লেখা ছিল, তিন লক্ষ ৯০ হাজার টাকা কাটা হয়েছে। মাথায় হাত পড়ে ওই ব্যক্তির। প্রতারিত হয়েছেন বুঝে চণ্ডীগড়ের স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তদন্তে নেমে চণ্ডীগড় পুলিস অ্যাকাউন্টের লেনদেন বিশ্লেষণ করে জানতে পারে, টাকা গিয়েছে কলকাতার একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। বেশ কয়েকদফায় টাকা ঢুকেছে। ওই অ্যাকাউন্টে বড় বড় অঙ্কের টাকা লেনদেন হচ্ছে। ব্যাঙ্কে দেওয়া নম্বরের সূত্র ধরে জানা যায়, সিমটি কলকাতার এক বাসিন্দার। কিন্তু সিম ব্যবহার করছে অন্য কেউ। তার সূত্র ধরেই চণ্ডীগড় পুলিস জানতে পারে, যুবকের নাম ইমরান। বুধবার কলকাতায় পৌঁছয় তারা। বাঁশদ্রোণী থানাকে সঙ্গে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে ইমরানকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে তোলা হলে লিগ্যাল এডের আইনজীবী সৈকত রক্ষিত বলেন, ইমরান জালিয়াতিতে জড়িত কোনও প্রমাণ মেলেনি। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা আসার কোনও সূত্র উঠে আসেনি। যদিও সরকারি আইনজীবী সাজ্জাদ আলি খান বলেন, নির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ও লেনদেন মিলিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, সে অনেকদিন ধরেই সাইবার জালিয়াতি করছে। এই কায়দায় সে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। টাকা জমা করার জন্য একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। তাকে জেরা করে প্রতারণার টাকার হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ