লখনউ: ‘হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্যে চিরকালই গোরুকে শ্রদ্ধা-ভক্তির আসনে বসানো হয়েছে। গোরু পশু নয়। আমাদের মা। এই সম্পর্ক জন্মজন্মান্তরের। তাই আলাদা করে কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা ঘোষণার প্রয়োজন নেই।’
লখনউ: ‘হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্যে চিরকালই গোরুকে শ্রদ্ধা-ভক্তির আসনে বসানো হয়েছে। গোরু পশু নয়। আমাদের মা। এই সম্পর্ক জন্মজন্মান্তরের। তাই আলাদা করে কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা ঘোষণার প্রয়োজন নেই।’
রবিবার লখনউয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সম্প্রতি গোরুকে জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা করার দাবিতে সরব হয়েছে একাধিক সংগঠন। এনিয়ে আলোচনা-সমালোচনার অন্ত নেই। এরইমাঝে যোগীর মন্তব্যে ফের জল্পনা শুরু হয়েছে।
রবিবার লখনউতে প্রাক্তন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা অশোক সিংঘলের জন্মশতবর্ষ পালনের জন্য এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত হয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি একটা প্রবণতা লক্ষ্য করছি। অনেকেই বলছে, গোরুকে জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা করা হোক। একটা কথাই বলতে চাই—গোরু আমাদের মা। এই সম্পর্ক জন্মজন্মান্তরের। আলাদা করে গোরুকে জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা করার কোনো প্রয়োজন নেই।’ তাঁর কথায়, ‘গোরুকে অনেকে মায়ের মতো শ্রদ্ধা করেন। তাঁদের কাছে গোরু কোনো সাধারণ পশু নয়। এইমুহূর্তে ভক্তদের গো-পালন ও সুরক্ষার কাজে মনোনিবেশ করা উচিত।’ গঙ্গার সঙ্গেও গোরুর তুলনা টেনেছেন যোগী। গো-হত্যার ঘটনায় কঠোর শাস্তির কথাও স্মরণ করিয়েছেন তিনি। এদিনের সভা থেকে ফের কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন যোগী। তাঁর কটাক্ষ, বারবার হিন্দু বিশ্বাস ও ভাবাবেগে আঘাত করে চলেছে হাত শিবির।