সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: জয়পুর-কোতুলপুর রাস্তায় একের পর দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। তাই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধার্থে এবার জয়পুরের গেলিয়ায় নতুন ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গেলিয়ায় মেন রাস্তার ধারে আপাতত একটি ভাড়াবাড়িতে ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার বাঁকুড়া জেলা অতিরিক্ত পুলিস সুপার(গ্রামীণ) মকসুদ হাসান এবং বিষ্ণুপুরের এসডিপিও সুপ্রকাশ দাস গেলিয়ায় একটি বাড়ি পরিদর্শনও করেছেন।
Advertisement
এসডিপিও বলেন, যানবাহন নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে কোতুলপুর ও জয়পুরের মাঝামাঝি স্থানে গেলিয়ায় একটি অফিস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এব্যাপারে ভবানীভবনে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তা মঞ্জুর হলে অফিস চালু করা হবে। তার আগে সেখানে অফিস করার মতো একটি বাড়ি দেখে আসা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিষ্ণুপুরের এমআইটি মোড় থেকে কোতুলপুর পর্যন্ত ২৭কিলোমিটার রাস্তায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। বুধবারও এমআইটি মোড়ের কাছে বনকামারপুকুরে চারচাকা গাড়ির সঙ্গে একটি পুলকারের সংঘর্ষে বেসরকারি স্কুলের এক প্রিন্সিপালের মৃত্যু হয়। চালক ও ছয় পড়ুয়া জখম হয়। তার আগে জয়পুর, শুকজোড়া, গোপালপুর, গেলিয়া, চাতরা সহ একাধিক জায়গায় পরপর দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাতে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই জন্য ওই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঠেকাতে পুলিসের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমনকী বারবার দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে বিশেষজ্ঞ দল আনা হয়। তাঁরা পর্যবেক্ষণ করার পর রাস্তার বাঁকে সাইন বোর্ড, স্পিড লিমিট, স্পিড ব্রেকার, ট্রাফিক রেল বসানো এমনকী বাঁকের মুখে বড় আয়নাও লাগানোর ব্যবস্থা হয়। কিন্তু, কোনও কিছুতেই দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না। কয়েকবছর আগে জয়পুর ও কোতুলপুর দুই থানা মিলিয়ে একটি ট্রাফিক টিম তৈরি করা হয়। কোতুলপুরে নেতাজি মোড়ে ছোটখাট একটি বাড়িতে অফিসও করা হয়। কিন্তু, কোতুলপুর থেকে জয়পুরের দূরত্ব বেশি হওয়ায় অনেক সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হচ্ছে। সেই জন্য দুই থানার মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থিত জয়পুরের গেলিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুরের এমআইটি মোড় থেকে কোতুলপুর পর্যন্ত রাস্তায় অন্তত পাঁচটি জায়গাকে ব্ল্যাক স্পট বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই জায়গাগুলিতে বিশেষ সতর্কতামূলক বার্তা লেখা বোর্ডও টাঙানো হয়েছে। তাছাড়া রাস্তায় ট্রাফিক রেল বসানো হয়েছে। সর্বক্ষণ সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন থাকে। তা সত্ত্বেও বারবার দুর্ঘটনা ঘটায় পুলিসের উদ্বেগ বেড়েছে। সেই জন্য দুই থানার মধ্যবর্তী স্থানে নতুন ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিষ্ণুপুর থেকে কোতুলপুর রাস্তায় অনবরত যানবাহন চলাচল করে। মাঝে জয়পুরের জঙ্গল এলাকা বাদ দিলে বাকি রাস্তার দু’ধারে প্রচুর জনবসতি রয়েছে। তাই পথচারী থেকে শুরু করে সাইকেল অথবা বাইক চলাচলের হারও খুব বেশি। সব মিলিয়ে দুর্ঘটনা ঘটায় বাসিন্দারা শঙ্কিত। গেলিয়ায় পূর্ণাঙ্গ ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস হলে খুব ভালো হবে।
প্রসঙ্গত, বিষ্ণুপুরের এমআইটি মোড় থেকে কোতুলপুর পর্যন্ত ২৭কিলোমিটার রাস্তায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। বুধবারও এমআইটি মোড়ের কাছে বনকামারপুকুরে চারচাকা গাড়ির সঙ্গে একটি পুলকারের সংঘর্ষে বেসরকারি স্কুলের এক প্রিন্সিপালের মৃত্যু হয়। চালক ও ছয় পড়ুয়া জখম হয়। তার আগে জয়পুর, শুকজোড়া, গোপালপুর, গেলিয়া, চাতরা সহ একাধিক জায়গায় পরপর দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাতে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই জন্য ওই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঠেকাতে পুলিসের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এমনকী বারবার দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে বিশেষজ্ঞ দল আনা হয়। তাঁরা পর্যবেক্ষণ করার পর রাস্তার বাঁকে সাইন বোর্ড, স্পিড লিমিট, স্পিড ব্রেকার, ট্রাফিক রেল বসানো এমনকী বাঁকের মুখে বড় আয়নাও লাগানোর ব্যবস্থা হয়। কিন্তু, কোনও কিছুতেই দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না। কয়েকবছর আগে জয়পুর ও কোতুলপুর দুই থানা মিলিয়ে একটি ট্রাফিক টিম তৈরি করা হয়। কোতুলপুরে নেতাজি মোড়ে ছোটখাট একটি বাড়িতে অফিসও করা হয়। কিন্তু, কোতুলপুর থেকে জয়পুরের দূরত্ব বেশি হওয়ায় অনেক সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা হচ্ছে। সেই জন্য দুই থানার মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থিত জয়পুরের গেলিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুরের এমআইটি মোড় থেকে কোতুলপুর পর্যন্ত রাস্তায় অন্তত পাঁচটি জায়গাকে ব্ল্যাক স্পট বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই জায়গাগুলিতে বিশেষ সতর্কতামূলক বার্তা লেখা বোর্ডও টাঙানো হয়েছে। তাছাড়া রাস্তায় ট্রাফিক রেল বসানো হয়েছে। সর্বক্ষণ সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন থাকে। তা সত্ত্বেও বারবার দুর্ঘটনা ঘটায় পুলিসের উদ্বেগ বেড়েছে। সেই জন্য দুই থানার মধ্যবর্তী স্থানে নতুন ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিষ্ণুপুর থেকে কোতুলপুর রাস্তায় অনবরত যানবাহন চলাচল করে। মাঝে জয়পুরের জঙ্গল এলাকা বাদ দিলে বাকি রাস্তার দু’ধারে প্রচুর জনবসতি রয়েছে। তাই পথচারী থেকে শুরু করে সাইকেল অথবা বাইক চলাচলের হারও খুব বেশি। সব মিলিয়ে দুর্ঘটনা ঘটায় বাসিন্দারা শঙ্কিত। গেলিয়ায় পূর্ণাঙ্গ ট্রাফিক কন্ট্রোল অফিস হলে খুব ভালো হবে।



