সংবাদদাতা, কান্দি: সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের ভাইজাগে আয়োজিত বিশ্ব যোগাসন প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে। সেখানে দেশের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন বড়ঞা ব্লকের সাবলপুর গ্রামের কৃষক পরিবারের যুবক সুমন্ত ঘোষ। আর প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম স্থান পেয়ে নজির গড়তেই আনন্দে মেতেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। গত ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর সেখানে ইউনিভার্সাল যোগা স্পোর্টস ফেডারেশন ওয়ার্ল্ড যোগা কাপ ৩.০, ২০২৪ এর আয়োজন করা হয়েছিল।
Advertisement
ওই প্রতিযোগিতায় ভারত ছাড়াও অংশ নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালোশিয়া, ইউএসএ, ইরান, অস্ট্রেলিয়া, চায়না, নিউজিল্যান্ড, হংকং, ভুটান, কুয়েত, আর্জেন্টিনা, দক্ষিন কড়িয়া, নেপাল, মিশর, কানাডা, ফ্রান্স, ইন্দোনেশিয়া, জার্মানি প্রভৃতি দেশের প্রতিযোগীরা। তাতে প্রথমদিনেই যোগাসন প্রতিযোগিতায় বাজিমাত করেন বড়ঞার সুমন্ত। তিনি ওই প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে স্বর্ণপদক পান। দ্বিতীয় ও তৃতীয় হন যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের প্রতিযোগীরা।
আর এই খবর পৌঁছতেই যুবকের হাতে স্বর্ণপদক দেখার জন্য গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দারা মুখিয়ে রয়েছেন। সুমন্তের পরিবারে রয়েছেন বাবা, মা, ভাই, দাদু, ঠাকুরমা, কাকা, কাকিমা তাঁদের পূর্বসুরি মিলে প্রায় ৬০জন। একেবারে যৌথ পরিবার। বাবা নিতাইপদ ঘোষ বলেন, ছেলে আগেও অনেক পদক পেয়েছিল। কিন্তু এবারে একেবারে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় গ্রামের সকলে অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে ছেলের বাড়ি ফিরতে আরও দুইদিন লেগে যাবে। ছেলে বাড়ি ফিরলেই গ্রামের সকলে মিলে আনন্দ উৎসব করব। সুমন্তর মা তাপসী ঘোষ বলেন, এমন ছেলের জন্য শুরু আমরা একা দাবিদার হতে পারিনা। গ্রামের সকলেই ওঁকে খুব ভালবাসে। সকলেই ওঁকে উৎসাহ দেয়। ছেলে শুধু গ্রামের নয় দেশের মুখও উজ্জ্বল করেছে।
আর এই খবর পৌঁছতেই যুবকের হাতে স্বর্ণপদক দেখার জন্য গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দারা মুখিয়ে রয়েছেন। সুমন্তের পরিবারে রয়েছেন বাবা, মা, ভাই, দাদু, ঠাকুরমা, কাকা, কাকিমা তাঁদের পূর্বসুরি মিলে প্রায় ৬০জন। একেবারে যৌথ পরিবার। বাবা নিতাইপদ ঘোষ বলেন, ছেলে আগেও অনেক পদক পেয়েছিল। কিন্তু এবারে একেবারে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় গ্রামের সকলে অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে ছেলের বাড়ি ফিরতে আরও দুইদিন লেগে যাবে। ছেলে বাড়ি ফিরলেই গ্রামের সকলে মিলে আনন্দ উৎসব করব। সুমন্তর মা তাপসী ঘোষ বলেন, এমন ছেলের জন্য শুরু আমরা একা দাবিদার হতে পারিনা। গ্রামের সকলেই ওঁকে খুব ভালবাসে। সকলেই ওঁকে উৎসাহ দেয়। ছেলে শুধু গ্রামের নয় দেশের মুখও উজ্জ্বল করেছে।



