নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: সবচেয়ে বেশি সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন যে কর্মী বা নেতা, তাঁকেই দলীয় পদ দেওয়া হবে। একেবারে বুথ থেকে সরাসরি তিনি জেলা কমিটিতেও জায়গা করে নিতে পারবেন। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এমনই ‘টোপ’ দিল বিজেপি নেতৃত্ব।
Advertisement
গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, সাংগঠনিক বৈঠকে দলের রাজ্য নেতৃত্ব সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যে কর্মী বা নেতা সদস্য সংগ্রহে রেকর্ড গড়তে পারবেন, তিনি দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন। অন্যদিকে, যাঁরা দায়িত্বে থেকেও সদস্য সংগ্রহে ব্যর্থ হবেন, তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।
সদস্য সংগ্রহে এখনও টার্গেটের ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি জলপাইগুড়ি জেলা। কোন এলাকায় কোন নেতা বা কর্মীকে এ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা সবাই বের হচ্ছেন কি না, এ ব্যাপারে জেলা নেতৃত্ব ঠিকমতো নজরদারিও চালাচ্ছে না বলে অভিযোগ দলেই। বিষয়টি নিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব।
বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা উত্তরবঙ্গের আহ্বায়ক, ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন বলেন, আমরা সদস্য সংগ্রহ অভিযানকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। নেতা-কর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভালোভাবে কাজটা করতে হবে। বুথে যিনি সর্বোচ্চ সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন, তিনি মণ্ডলে পদ পাবেন। আবার এমনও হতে পারে, বুথ থেকে সরাসরি জেলা কমিটিতে নেওয়া হবে তাঁকে। একইভাবে যিনি মণ্ডলে সবচেয়ে বেশি সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন, তিনিই মণ্ডলের পদাধিকারী হবেন। জেলার ক্ষেত্রেও একই।
দলীয় সূত্রে খবর, সদস্য সংগ্রহ অভিযান মুখথুবড়ে পড়া নিয়ে নেতাদের অনেকেই সাংগঠনিক বৈঠকে ‘অজুহাত’ দেখিয়েছেন, এখন ধান কাটার মরশুম চলছে। আলু বোনা রয়েছে। ফলে লোকজন পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ বলার চেষ্টা করেছেন, উৎসবের ছুটিছাটা গেল। এখনও অনেকের মধ্যে রিল্যাক্সড মুড রয়ে গিয়েছে। যদিও রাজ্য নেতৃত্ব তাদের এসব অজুহাতকে পাত্তা দিতে চায়নি। বরং জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পুজো থাকবে। উৎসব থাকবে। ধান কাটা, আলু বোনা সবই থাকবে। তাহলে দলের সংগঠন চাঙ্গা করার কাজটা চলবে কখন?
গেরুয়া শিবিরের রাজ্য নেতৃত্বের স্পষ্ট বার্তা, সদস্য সংগ্রহের টার্গেট পূরণের জন্য কোনও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের বাড়িতে যাওয়ার দরকার নেই। যাঁরা বিজেপি সমর্থক, বিজেপিকে ভোট দেন, শুধু তাঁদের কাছে গেলেই হবে। টার্গেট উপচে পড়বে।
সদস্য সংগ্রহে এখনও টার্গেটের ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি জলপাইগুড়ি জেলা। কোন এলাকায় কোন নেতা বা কর্মীকে এ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা সবাই বের হচ্ছেন কি না, এ ব্যাপারে জেলা নেতৃত্ব ঠিকমতো নজরদারিও চালাচ্ছে না বলে অভিযোগ দলেই। বিষয়টি নিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব।
বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা উত্তরবঙ্গের আহ্বায়ক, ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন বলেন, আমরা সদস্য সংগ্রহ অভিযানকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। নেতা-কর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভালোভাবে কাজটা করতে হবে। বুথে যিনি সর্বোচ্চ সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন, তিনি মণ্ডলে পদ পাবেন। আবার এমনও হতে পারে, বুথ থেকে সরাসরি জেলা কমিটিতে নেওয়া হবে তাঁকে। একইভাবে যিনি মণ্ডলে সবচেয়ে বেশি সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন, তিনিই মণ্ডলের পদাধিকারী হবেন। জেলার ক্ষেত্রেও একই।
দলীয় সূত্রে খবর, সদস্য সংগ্রহ অভিযান মুখথুবড়ে পড়া নিয়ে নেতাদের অনেকেই সাংগঠনিক বৈঠকে ‘অজুহাত’ দেখিয়েছেন, এখন ধান কাটার মরশুম চলছে। আলু বোনা রয়েছে। ফলে লোকজন পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ বলার চেষ্টা করেছেন, উৎসবের ছুটিছাটা গেল। এখনও অনেকের মধ্যে রিল্যাক্সড মুড রয়ে গিয়েছে। যদিও রাজ্য নেতৃত্ব তাদের এসব অজুহাতকে পাত্তা দিতে চায়নি। বরং জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পুজো থাকবে। উৎসব থাকবে। ধান কাটা, আলু বোনা সবই থাকবে। তাহলে দলের সংগঠন চাঙ্গা করার কাজটা চলবে কখন?
গেরুয়া শিবিরের রাজ্য নেতৃত্বের স্পষ্ট বার্তা, সদস্য সংগ্রহের টার্গেট পূরণের জন্য কোনও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের বাড়িতে যাওয়ার দরকার নেই। যাঁরা বিজেপি সমর্থক, বিজেপিকে ভোট দেন, শুধু তাঁদের কাছে গেলেই হবে। টার্গেট উপচে পড়বে।



