Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিউড়ি সুপার স্পেশালিটিতে ৬ দিন ধরে বন্ধ এক্স-রে

ফিল্ম ফুরিয়ে যাওয়ায় টানা ছ’ দিন ধরে বন্ধ ডিজিটাল এক্স রে।সিটি স্ক্যান পরিষেবাও মুখ থুবড়ে পড়েছে মেশিন বিকল হয়ে যাওয়ায়।

সিউড়ি সুপার স্পেশালিটিতে  ৬ দিন ধরে বন্ধ এক্স-রে
  • ১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: ফিল্ম ফুরিয়ে যাওয়ায় টানা ছ’ দিন ধরে বন্ধ ডিজিটাল এক্স রে।সিটি স্ক্যান পরিষেবাও মুখ থুবড়ে পড়েছে মেশিন বিকল হয়ে যাওয়ায়। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হচ্ছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা টাকার বিনিময়ে ডিজিটাল এক্স রে ও সিটি স্ক্যান করাচ্ছেন। তবে, মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। রোগীর পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে ধরেছেন। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাফাই, ডিজিটাল এক্স রে পরিষেবা যে বন্ধ, তা তাদের জানা ছিল না। হাসপাতাল সুপার ডাঃ প্রকাশচন্দ্র বাগ বলেন, ডিজিটাল এক্স রে পরিষেবা যে বন্ধ, তা জানা ছিল না। আমাদের কেউ জানায়নি। খোঁজ নিয়ে দেখব। হাসপাতালের পুরোনো সিটি স্ক্যান মেশিনটি মাঝেমধ্যেই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। নতুন মেশিন বসানো হচ্ছে। দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক হবে।

Advertisement

চিকিৎসার ক্ষেত্রে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। সিউড়ি মহকুমার পাশাপাশি পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ড থেকেও বহু মানুষ চিকিৎসা করাতে এই হাসপাতালে আসেন। এদিকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ফিল্ম এখনও এসে পৌঁছয়নি। এই পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যদের মোবাইলে ছবি তুলে দেওয়া হচ্ছে। যদিও অধিকাংশ রোগীই ফিরে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে রোগীদের একাংশের পরিবারের সদস্যরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উপর ভরসা রাখছেন। তবে, হাসপাতালে গিয়েও পরিষেবা না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তাঁরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১০০ রোগীর ডিজিটাল এক্স রে করা হয়। পরিষেবা বন্ধ থাকায় বিগত ছ’দিন ধরে রোগীদের ফিরে যেতে হচ্ছে। এক টেকনিশিয়ান বলেন,  ফিল্ম না থাকায় ডিজিটাল এক্সরে করা যাচ্ছে না। কোনও ক্ষেত্রে রোগীর পরিবার রাজি হলে ডিজিটাল এক্স রে শেষে মোবাইলে ছবি তুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে, পরিষেবা কবে স্বাভাবিক হবে তা অবশ্য তিনি বলতে পারেননি। দুবরাজপুরের বাসিন্দা শেখ বাচ্চু এদিন তাঁর স্ত্রী›কে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে এদিন ডিজিটাল এক্স রে করানোর কথা ছিল। তবে পরিষেবা না পেয়ে তাঁদের এদিন ফিরে যেতে হয়। তিনি বলেন, অনেক দূর থেকে এসেছিলাম। ফিরে যেতে হচ্ছে। আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায়, আমার মতো বহু রোগীকেই হয়রান হতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ