Bartaman Logo
২ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

এক বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন না আরতি কটন মিলের শ্রমিকরা, আশ্বাস শিল্পমন্ত্রীর

প্রায় এক বছর ধরে বেতন বন্ধ হাওড়ার দাশনগরের আরতি কটন মিলের প্রায় ৪০০ শ্রমিক-কর্মচারীর। পেনশন না পেয়ে সমস্যায় অবসরপ্রাপ্ত প্রায় ১০০ কর্মীও।

এক বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন না আরতি কটন মিলের শ্রমিকরা, আশ্বাস শিল্পমন্ত্রীর
  • ২ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: প্রায় এক বছর ধরে বেতন বন্ধ হাওড়ার দাশনগরের আরতি কটন মিলের প্রায় ৪০০ শ্রমিক-কর্মচারীর। পেনশন না পেয়ে সমস্যায় অবসরপ্রাপ্ত প্রায় ১০০ কর্মীও। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত বকেয়া মেটানোর দাবিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের দ্বারস্থ হল ন্যাশনাল টেক্সটাইল কর্পোরেশন লিমিটেড ক্যাজুয়াল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন। সমস্যা শুনে দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী।

Advertisement

জানা গিয়েছে, করোনা পর্ব থেকে আরতি কটন মিলের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তারপর থেকেই শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শ্রমিকদের দাবি, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তাঁরা মজুরি পেয়েছেন। এরপর থেকে আর বেতন মেলেনি। ফলে প্রায় ১২ মাসের মজুরি বকেয়া রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ায় চরম আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন মিলের কর্মরত শ্রমিকরা। শুধু কর্মরত শ্রমিকদেরই নয়, একইসঙ্গে সমস্যায় পড়েছেন অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও। প্রায় ১০০ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী নিয়মিত পেনশন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। ফলে তাঁদেরও দৈনন্দিন জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে। বেতন ও পেনশন বন্ধ থাকায় বহু শ্রমিক পরিবারের খাবার, ওষুধ, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনোরকমে সংসার চালিয়ে এলেও বর্তমানে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবিতে বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন ন্যাশনাল টেক্সটাইল কর্পোরেশন লিমিটেড ক্যাজুয়াল ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি বিভাসচন্দ্র হাজরা। তিনি শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের বেতন বকেয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে শিল্পমন্ত্রীকে ডেপুটেশন দেন। পুজোর আগে শ্রমিকদের হাতে বকেয়া মজুরি তুলে দেওয়ার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি জানান তিনি। ইউনিয়ন সূত্রে খবর, শ্রমিকদের সমস্যার কথা শোনার পর বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী। ইতিমধ্যে শ্রমিকদের বেতন মেটানোর জন্য ন্যাশনাল টেক্সটাইল কর্পোরেশনের সিএমডি দপ্তরে আরজি পাঠানো হয়েছে। বিভাসবাবু বলেন, ‘আশা করছি শিল্পমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে এবং পুজোর আগে দীর্ঘদিন বেতনহীন শ্রমিকদের মুখে হাসি ফিরবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ