Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে তমলুকে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ শুরু

২২লক্ষ টাকা ব্যয়ে তমলুক পুরসভার ২০নম্বর ওয়ার্ডে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ শুরু হল।

পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে তমলুকে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ শুরু
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ২২লক্ষ টাকা ব্যয়ে তমলুক পুরসভার ২০নম্বর ওয়ার্ডে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ শুরু হল। এর ফলে ২০নম্বর ওয়ার্ড ছাড়াও পার্শ্ববর্তী গ্রামীণ এলাকার তিন-চারটি গ্রামে পানীয় জল পৌঁছে যাবে। বুধবার এই উপলক্ষ্যে তমলুক শহরের ধারিন্দায় এক অনুষ্ঠান হয়। সেখানে পুজো করে নারকেল ফাটিয়ে ওই কাজের শুভারম্ভ হয়। আশপাশের এলাকা থেকে প্রচুর মানুষজন ভিড় করেন। কাজ শুরু হওয়ায় খুশি গ্রামীণ এলাকার লোকজন। এদিনের অনুষ্ঠানে পুরসভার ২০নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার চঞ্চল খাঁড়া ছাড়াও সেখাকার প্রাক্তন কাউন্সিলার চন্দন প্রধান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, কাউন্সিলার গৌতম পাল, বিমল ভৌমিক ও চন্দন দে সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। 

Advertisement

১৬০বছরের পুরনো তমলুক পুরসভায় এখনও নদীবাহিত পানীয় জল প্রকল্প গড়ে ওঠেনি। তাই শহরবাসীর ভরসা ভূগর্ভস্থ জল। প্রতিনিয়ত শহরে পরিবার সংখ্যা বাড়ছে। এরফলে জলের চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু, চাহিদার সঙ্গে জোগানের ফারাক থাকার কারণে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বছরভর জলের সমস্যা থাকে। গরমের সময় বেশকিছু ওয়ার্ডে জল নিয়ে হাহাকার পড়ে যায়। পুরসভা থেকে জলের ট্যাঙ্ক পাঠিয়ে কোনওরকমে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পুরসভার পক্ষ থেকে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের কাছে গভীর নলকূপ বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ চাওয়া হয়েছিল। সেইমতো রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করে। সেই টাকায় এক মাস আগে পুরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডে একটি গভীর নলকূপের উদ্বোধন হয়। তাতে ওই এলাকায় জলসঙ্কট অনেকটাই মিটেছে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের টাকায় বুধবার ২০নম্বর ওয়ার্ডে আরেকটি গভীর নলকূপের কাজের সূচনা হল।জানা গিয়েছে, বিশ্বকর্মা পুজোর মধ্যেই পাম্প বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তবে, এলাকাটি নিচু থাকায় পাম্প হাউস নির্মাণ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। আগামী নভেম্বর মাস থেকেই ওই প্রজেক্টের জল বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু হবে। পুরসভা এলাকার পাশাপাশি সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকার মানুষজনও উপকৃত হবেন। পাম্প চালু হওয়ার পর পুরসভার পাইপ লাইনের মাধ্যমে জল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে। ২০নম্বর ওয়ার্ডের ধারিন্দা সোনালি মাকড় ও ইয়াসমিন খাতুন বলেন, সারা বছর জলের সমস্যা লেগে থাকে। গরমের সময় তা তীব্র আকার নেয়। আমাদের ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের এই সমস্যা শেষমেশ সমাধানের পথে। এজন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ