নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: বুধবার সকালে ময়না থানার পূর্ব-দক্ষিণ ময়না গ্রামের পান বরজের মধ্যে এক মহিলার হাত মুখ বাঁধা নগ্ন দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতের নাম রাধারানী অধিকারী। তার বয়স ৪৭। পূর্ব-দক্ষিণ ময়না গ্রামেই তাঁর বাড়ি। মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্বামী অরূপ অধিকারী কর্মসূত্রে মহারাষ্ট্রে থাকেন। দম্পতির একমাত্র ছেলে সৌমেন অধিকারী মাধ্যমিক পরীক্ষায় নবম স্থান দখল করেছিলেন। তারপর গুয়াহাটি আইআইটিতে পড়াশোনা করে অসমের একটি কলেজে অধ্যাপনা করেন। এদিন সকালে ওই খবর পেয়ে বাবা-ছেলে দু’জনেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
আজ সকালে পূর্ব-দক্ষিণ ময়না গ্রামের বাসিন্দা অরূপ জানার পান বরজের ভিতর ওই দেহ উদ্ধার হয়। অরূপবাবুর স্ত্রী শিলা জানা প্রতিদিনের মতো বুধবারও সকালে বরজে যান। সেখানে প্রতিবেশী রাধারানী অধিকারীর নগ্ন দেহ দেখে তিনি ভয় পেয়ে যান। তারপর বাড়িতে গিয়ে স্বামী সহ অন্যান্যদের বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে ময়না থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য তমলুক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেশী রাজু অধিকারী বলেন, রাধারানীদেবীর মানসিক অসুখ ছিল। বাড়িতে শ্বশুর, শাশুড়ি, দেওর, জা আছেন। তাঁরাই রাধারানীদেবীকে খেতে দিতেন। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল বুঝতে পারছি না। কেউ বা কারা পাশবিক অত্যাচার করে খুন করেছে বলে অনুমান। আমরা চাই, পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করুক।