জলের তলায় মালদহের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, সঙ্কটে একশোর বেশি গ্রাম
  • ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:১০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: প্লাবিত মালদহের বিস্তীর্ণ এলাকা। সব থেকে সংকটে রতুয়া এবং মানিকচক ব্লক। বন্যার জলে ডুবে মানিকচকের ভূতনির বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় ভুতনি থানা। অস্থায়ীভাবে থানার কাজ চলছে ভূতনি ব্রিজে। ডুবে গেছে ভূতনির স্বাস্থ্য কেন্দ্রও। অস্থায়ীভাবে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কাজ চালানো হচ্ছে উত্তর চন্ডিপুর পঞ্চায়েত অফিসে। এলাকার সড়ক পথ জলের তলায় থাকায় পুলিশ এবং সাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে চারটে নৌকা। তার সাহায্যেই চলছে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। ৪৮ ঘন্টার বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ নেই ভূতনির বন্যা কবলিত এলাকায়। ফলে চরম দুর্ভোগে এলাকার মানুষ। পাওয়া যাচ্ছে না মোবাইলে নেটওয়ার্কও। যার জেরে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বন্যা কবলিত এলাকায় এক ব্যক্তির জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এক মহিলাকে সাপে কেটেছে। মালদহের জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর জানান, ভুতনিতে প্রায় ৬০ গ্রাম বন্যা কবলিত। আর জেলায় প্লাবিত একশোর বেশি গ্রাম।

Advertisement

অন্যদিকে রতুয়াতেও মঙ্গলবার রাত থেকে জল বাড়তে শুরু করেছে। ফলে প্লাবিত এই ব্লকেরও বিস্তীর্ণ এলাকা। জলে ভাসছে এলাকার মহানন্দাটোলা তদন্ত কেন্দ্র। তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ১০ জন পুলিশ কর্মী কার্যত জলবন্দী। রাস্তা ডুবে যাওয়ায় এখানেও যাতায়াতের মূল অবলম্বন নৌকা। মালদহের পুলিশ সুপার অনুপম সিং বলেন, মহানন্দাটোলায় চারটি নৌকা রাখা হয়েছে। দুটি নৌকা পুলিশের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। আর দুটি নৌকা ব্যবহার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের জন্য। রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতেও বন্যার জল ঢুকেছে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মালদহের বন্যা কবলিত অঞ্চল হেলিকপ্টারে পরিদর্শন করেন সিভিল ডিফেন্সের ডিজি সঞ্জয় সিং, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এর আইজি রাজেশ সিনহা, উত্তরবঙ্গের আইজি সুকেশ জৈন সহ প্রশাসনের কর্তারা। পরিদর্শনের আগে তারা মালদহের বিমানবন্দরে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে।