নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কুলটি থানার নিয়ামতপুরে নার্সিংহোমে গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম নন্দিনী দেবী(২৯)। জামতাড়ার ওই মহিলার বিয়ে হয়েছিল ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। ফের নন্দিনী গর্ভবতী হন। অভিযোগ, বেআইনিভাবে তাঁর গর্ভস্থ ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁর গর্ভে আবারও কন্যাসন্তান রয়েছে বলে জানতে পারে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অভিযোগ, এরপরই ভ্রুণ নষ্ট করতে তৎপর হয়ে ওঠে তারা। কুলটিতে তাদের এক আত্মীয় অনিতা দেবী ভ্রুণ নষ্ট করার জন্য গৃহবধূকে কুলটির এক হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে ওই বধূকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। তারপরই বধূর শরীরে প্রচণ্ড রক্তপাত হয়। এরপর রবিবার গভীর রাতে অনিতা ও ওই হাতুড়ে ডাক্তার গৃহবধূকে নিয়ে কুলটি থানার নিয়ামতপুরের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। সোমবার সকালে জানা যায়, গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গর্ভস্থ সন্তানেরও মৃত্যু হয়েছে। এরপর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতার বাপেরবাড়ির লোকজন স্বামী, অনিতা, হাতুড়ে ডাক্তার সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর ভাই কানহাইয়া রাওবানি কুলটি থানায় এই অভিযোগ করেন। এরপরই পুলিস অভিযুক্ত মৃতার স্বামী রাজু রাওয়ানি ও অনিতাকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু এখনও পুলিস অভিযুক্ত চিকিৎসককে ধরতে পারেনি।



