নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ ও সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: ‘বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর চাই’। এই দাবিতে বিডিও’র ঘরে ঢুকে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক মহিলা। তাঁর নাম শুকতারা বিবি। সোমবার মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর- ২ ব্লকের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ ও সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: ‘বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর চাই’। এই দাবিতে বিডিও’র ঘরে ঢুকে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক মহিলা। তাঁর নাম শুকতারা বিবি। সোমবার মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর- ২ ব্লকের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
এবিষয়ে মালদহের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল বলেন,খবর পেয়েছি। অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ওই মহিলাকে বিডিও,জয়েন্ট বিডিওরাই হাসপাতালে নিয়ে যান। এখন তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি কথা বলতে পারছেন। এসডিওকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।
বছর পঁয়তাল্লিশের শুকতারা বিবির বাড়ি ভালুকা গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্ণাহী গ্রামে। তাঁর স্বামী সফিকুল ইসলাম ওড়িশায় কাজ করেন। পরিবারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। বাংলার বাড়ির তালিকায় প্রথমে ওই মহিলার নাম ছিল। সুপার চেকিংয়ে নাম বাদ যায়। কারণ,তাঁর পাকা বাড়ি রয়েছে। তবুও এদিন বাংলার বাড়ির চেয়ে বিডিও অফিসে আসেন ওই বধূ। অভিযোগ, বিডিও’র সঙ্গে দেখা করতে চেয়েও শুকতারাকে প্রথমে সময় দেওয়া হয়নি। অনেকক্ষণ তাঁর চেম্বারের বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়। ভিতরে বিডিও তাপস কুমার পালের সঙ্গে কথাও বলেন শুকতারা। ঘরের দাবি জানান। অভিযোগ,বিডিও ওই মহিলার কথায় গুরুত্ব না দেওয়ায় সেখানেই বিষ খেয়ে নেন তিনি। জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকেই বিষ নিয়ে এসেছিলেন। বিডিও’র ঘরেই ওই মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়লে চিত্কার চেঁচামেচি শুরু হয়। তৎক্ষণাৎ জয়েন্ট বিডিও সোনাম ওয়াংদি লামা তাঁর গাড়িতে তুলে মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আপাতত তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় বিডিও কোনো মন্তব্য করতে চাননি। গৃহবধূর পরিবারও কিছু বলতে চায়নি। জেলাশাসকের কথায়, তদন্তে দেখা গিয়েছে ওই মহিলার একটি পাকা বাড়ি রয়েছে। তবে প্রশাসন তাঁর পাশে আছে।