সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: একদিকে সুপ্রিম কোর্ট, অন্যদিকে সংসদ। ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) ইস্যুতে এই জোড়া ফলায় আজ বিদ্ধ হতে চলেছে কেন্দ্র। এবং অবশ্যই নির্বাচন কমিশন। তাই গত এক মাসে বিহারে তারা ঠিক কী করেছে, সেই হিসেব রবিবার বিকেলেই তড়িঘড়ি দিয়ে রাখল কমিশন। কী জানিয়েছে তারা? ১) ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম প্রাথমিকভাবে বাদ যাবে। ২) এই তালিকার ২২ লক্ষের মৃত্যু হয়েছে। ৩৬ লক্ষ হয় পাকাপাকিভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন, অথবা তাঁদের অস্বস্তিই নেই। এই অংশের কেউ কেউ নাকি ‘ভোটার’ থাকতে ইচ্ছুক নন বলেও দাবি করেছে কমিশন। ৩) ৭ লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে একাধিক জায়গায়। তাঁদের একটি কেন্দ্রেই নাম থাকবে। বাকিগুলি কাটা যাবে। ১ আগস্ট খসড়া তালিকা প্রকাশের আগে এই ব্যাখ্যার থেকেও বড় প্রশ্ন অবশ্য বিরোধী বেঞ্চ এবং আদালতের দরবারে অপেক্ষা করছে। আর তা হল, ইন্টেনসিভ রিভিশনে আধার-ভোটার-রেশন কার্ডকে কি মান্যতা দেওয়া হবে? সোমবার নজর তাই সুপ্রিম কোর্টে। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস, মহুয়া মৈত্র, কে সি বেণুগোপাল সহ মোট ১১টি আবেদনের মূল প্রশ্ন একটাই—ভোটাধিকার। আধার, রেশন কার্ড, এমনকী নিজেদের ইস্যু করা ভোটার কার্ডকেও কেন কমিশন বৈধ নথি হিসেবে ধরবে না? সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ সত্ত্বেও কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই দাবিকে ধর্তব্যে আনেনি। আজ যদি সুপ্রিম কোর্ট এই নথিগুলির মান্যতা নিয়ে কোনও নির্দেশ জারি করে, সেই অপেক্ষাতেই বিরোধী দল থেকে আম জনতা সবাই।



