সন্দীপ বর্মন, মাথাভাঙা: দীপাবলির রাতেও আতঙ্কে কাটল না ঘোকসাডাঙার বড় শিমূলগুড়ি, ভেলাকোবা, খোপাটুলি ও সাউদেরবস এলাকার মানুষের। বুনো শুয়োরের আতঙ্ক এখনও তাড়া করছে গ্রামবাসীদের। বনকর্মীরা এলাকায় টহলদারি চালানোর পরও ধরতে পারেনি বুনো শুয়োর।
সন্দীপ বর্মন, মাথাভাঙা: দীপাবলির রাতেও আতঙ্কে কাটল না ঘোকসাডাঙার বড় শিমূলগুড়ি, ভেলাকোবা, খোপাটুলি ও সাউদেরবস এলাকার মানুষের। বুনো শুয়োরের আতঙ্ক এখনও তাড়া করছে গ্রামবাসীদের। বনকর্মীরা এলাকায় টহলদারি চালানোর পরও ধরতে পারেনি বুনো শুয়োর।
এদিকে, বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় একাধিক বুনো শুয়োর রয়েছে। ফলে বাসিন্দাদের সর্তক থাকতে নিয়মিত সচেতন করছে পুলিশ ও বনদপ্তর। দীপবলির রাতেও এলাকায় বনকর্মীরা নজরদারি চালান। বাসিন্দাদের সর্তক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাতে বাড়ির বাইরে না বের হওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সবাইকে।
প্রসঙ্গত, প্রাকৃতিক দুর্যোগে তোর্সা নদী টপটে প্রচুর বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসে। মাথাভাঙা-২ ব্লকের প্রেমেরডাঙা ও পুঁটিমারি এলাকায় লোকালয়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছে গন্ডার। বড় শিমূলগুড়ি, ভেলাকোবা ও খোপাটুলি গ্রামে বুনো শুয়োরের আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে দু’জন ব্যক্তির। বনকর্মীরা কুনকি হাতি দিয়ে বুনো শুয়োর ধরতে তল্লাশি চালায়। সেই সময়ে বুনো শুয়োরের পায়ের ছাপ নজরে এলেও দেখা মেলেনি সেই প্রাণীটির। একাধিক জায়গায় পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছে। নজরদারি চালানোর সময়ে একই সময়ে কয়েকটি জায়গায় বুনো শুয়োর দেখেছিলেন বনকর্মীরা। কিন্তু নিমিষেই সেসব লুকিয়ে পড়েছিল। টানা তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হলেও দেখা মেলেনি বুনো শুয়োরের।
এদিকে, কয়েকদিন আগে লতাপোঁতার সাউদেরবস এলাকায় চিতাবাঘের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও বনদপ্তর জানিয়েছিল, চিতাবাঘ নয়, যে বন্য জন্তুটি দেখা গিয়েছিল সেটি বেঙ্গল ফক্স বা জঙ্গল ক্যাট হতে পারে। বুনো শুয়োর ধরা না পড়ায় এখনও আতঙ্ক কাটেনি ভেলাকোবা, খোপাটুলি এলাকার বাসিন্দাদের।
এ ব্যাপারে বনদপ্তরের মাথাভাঙার রেঞ্জার সুদীপ দাস বলেন, আমরা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছি। সন্ধ্যা থেকে নজরদারি চলছে। একইসঙ্গে অনেক রাতে এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। বুনো শুয়োরের দেখা মিললেও একটিকেও ধরা সম্ভব হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষকে সর্তক থাকতে বলেছি আমরা।