সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুরের জঙ্গলমহলে ধূসর নেকড়ে, শেয়াল ও বিষধর সাপের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। এতে ঘন জঙ্গলে অবস্থিত বিভিন্ন আদিবাসী গ্রামের মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। ওই সমস্ত গ্রামের মানুষকে স্বনির্ভর করতে বিনামূল্যে হাঁসমুরগি ও গোরু-ছাগল দিয়েছিল সরকার। কিন্তু এখন তাঁদের গৃহপালিত পশুপাখি জঙ্গলের হিংস্র জন্তুর শিকার হচ্ছে। ক্ষুধার্ত নেকড়ে, শেয়াল ঘরের ভিতর থেকে গবাদি পশু টেনে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতাপপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মাধব দে বলেন, এখন এলাকায় হিংস্র জন্তুর উৎপাত বেড়েছে। জঙ্গলের ভিতরে থাকা বিভিন্ন গ্রামে তাড়াতাড়ি পথবাতি বসানো হবে। বনদপ্তর জানিয়েছে, গত কয়েকবছরে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম, পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা ও দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকে ব্যাপক হারে জঙ্গল বৃদ্ধি পেয়েছে। বনদপ্তরের উদ্যোগে হাজার হাজার বৃক্ষরোপণ হওয়ায় বনাঞ্চল গড়ে উঠছে। এর জেরে নেকড়ে, শেয়ালের পাশাপাশি দেখা মিলেছে হায়নার দলের। করোনা সঙ্কটের সময় ঝাড়খণ্ডের জঙ্গল থেকে ওই সমস্ত হিংস্র জন্তু দুর্গাপুরের জঙ্গলমহলে ঢুকে পড়ে। সেসময় বনদপ্তরের ট্র্যাপ ক্যামেরায় গুটিকয়েক জন্তুর ছবি ধরা পড়েছিল। এখন তাদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়ে গিয়েছে। জঙ্গলে পর্যাপ্ত খাবার না জোটায় সেখানকার বিভিন্ন গ্রামে শিকারের খোঁজে তারা হানা দিচ্ছে।



