Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

নগদকাণ্ডে তদন্ত রিপোর্ট পেশ পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন কেন? সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মা

নগদকাণ্ডে ইমপিচমেন্টের খাঁড়া ঝুলছে। সুপ্রিম কোর্টের অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্টে যথেষ্ট বিপাকে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মা।

নগদকাণ্ডে তদন্ত রিপোর্ট পেশ পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন কেন? সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মা
  • ২৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নগদকাণ্ডে ইমপিচমেন্টের খাঁড়া ঝুলছে। সুপ্রিম কোর্টের অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্টে যথেষ্ট বিপাকে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মা। তড়িঘড়ি এই তদন্ত রিপোর্ট খারিজের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার এই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালতে কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হল তাঁকে। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি এ জি মাসিহর বেঞ্চ প্রশ্ন করে, ‘তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে আগে আপত্তি জানাননি কেন? এব্যাপারে আস্থা না থাকলে কেন কমিটিতে হাজিরা দিয়েছিলেন? তারপরও রিপোর্ট প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা  করলেন কেন তিনি? রিপোর্ট নিজের পক্ষে থাকবে, এমন সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন?’ বাসভবন থেকে পোড়া নোট উদ্ধারের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দোষী সাব্যস্ত করা হয় বিচারপতি ভার্মাকে। সেই রিপোর্ট নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলায় এদিন তোপ দেগেছে শীর্ষ আদালত।

Advertisement

গত ১৪ মার্চ দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি ভার্মার বাসভবনে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে গিয়ে উদ্ধার হয় রাশি রাশি পোড়া নোট। এনিয়ে বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বদলি করা হয় বিচারপতিকে। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করে সুপ্রিম কোর্ট। সেই কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে বিচারপতি ভার্মার ইমপিচমেন্টের সুপারিশ করা হয়। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার ওই সুপারিশ খারিজের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টেরই দ্বারস্থ হয়েছেন বিচারপতি ভার্মা। এদিন তাঁর আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, কমিটিতে হাজিরা দেওয়া মানেই দোষী বলে ধরে নেওয়া যায় না। বাজেয়াপ্ত নগদ কার, তা নিয়ে প্রকৃত তথ্য জানতেই কমিটির মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁর মক্কেল। এমনকী সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী বিচারপতি ভার্মার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এব্যাপারে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। একজন বিচারপতিকে জনসমক্ষে বিতর্ক জড়ানো ঠিক নয়। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে নগদ উদ্ধারের ভিডিও তোলা, সংবাদমাধ্যমে প্রচারের বিষয়বস্তু করে তোলা সংশ্লিষ্ট বিধির পরিপন্থী। সিবালের যুক্তি, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ইমপিচমেন্ট মোশনের ভিত্তি হতে পারে না।  যদিও শীর্ষ আদালত বিচারপতি ভার্মার পিটিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এর সঙ্গে তদন্ত কমিটির রিপোর্টও যুক্ত করতে বলা হয়। আগামী ৩০ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ