Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পরবর্তী চেয়ারপার্সন কে? অশোক ইস্তফা দিতেই শুরু জল্পনা, জল মাপছে বিরোধীরা

চাপে পড়ে বুধবারই বালুরঘাট পুরসভায় চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অশোক মিত্র।

পরবর্তী চেয়ারপার্সন কে? অশোক ইস্তফা দিতেই শুরু জল্পনা, জল মাপছে বিরোধীরা
  • ২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: চাপে পড়ে বুধবারই বালুরঘাট পুরসভায় চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অশোক মিত্র। তাঁর চেয়ারে এবার কে বসবেন, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের সদর শহর বালুরঘাটে। ইতিমধ্যে বিদ্রোহী কাউন্সিলারদের থেকে একজনকে চেয়ারম্যান করার দাবি উঠেছে। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ফাঁকা ভাইস  চেয়ারম্যানের পদও। এবার ভাইস চেয়ারম্যানের পদও পূরণ হতে চলেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের নাম নিয়ে চলছে চর্চা। এনিয়ে জল মাপছে অশোকপন্থী এবং বিদ্রোহী শিবির। 

Advertisement

দলীয় সূত্রে খবর,বিদ্রোহী কাউন্সিলারদের থেকে কাউকে চেয়াম্যান করা হতে পারে। কারণ, বিদ্রোহী শিবিরেই রয়েছেন তিন গুরুত্বপূর্ণ এমসিআইসি। তাঁরা হলেন বিপুলকান্তি ঘোষ, মহেশ পারখ এবং অনোজ সরকার। তিনজনই চেয়ারম্যান পদের যোগ্য। তাঁদের মধ্যে বিপুল পেশায় শিক্ষক, মহেশ আইনজীবী। প্রত্যেকেই দলের গুরুত্বপূর্ণ পদও সামলেছেন। বিদ্রোহী শিবিরে রয়েছেন তৃণমূলের টাউন সহ সভাপতি সুরজিৎ সরকার। তিনিও পুরসভার চেয়ারম্যান দৌড়ে রয়েছেন। 
মহিলা কাউন্সিলাররাও এই দৌড় থেকে পিছিয়ে নেই। বিদ্রোহীদের মধ্যে মুনমুন কর, শিখা মহন্ত সাহা চৌধুরী, অপর্ণা চট্টোপাধ্যায় সহ অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 
সূত্রের খবর, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং দক্ষ কাউন্সিলারকে চেয়ারম্যান পদে আনতে চাইছে রাজ্য। কোন্দল এড়াতে চেয়ারম্যান পদে একজন পুরুষ এবং ভাইস চেয়ারপার্সন হিসেবে এক মহিলা কাউন্সিলারকে ভাবা হয়েছে। সবটাই নির্ভর করছে রাজ্য নেতৃত্বের উপরে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, পুরসভার চেয়ারম্যানের বিষয়টি রাজ্যনেতৃত্ব দেখছে। রাজ্যের নির্দেশমতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
অনাস্থা ইস্যুতে বালুরঘাটে তৃণমূল কংগ্রেসে যে গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে, তা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন জেলা সভাপতি সুভাষ। তাঁর সাফ কথা, দল কখনই গোষ্ঠীকোন্দল বরদাস্ত করে না। সে প্রাক্তন চেয়ারম্যানের অনুগামী হোক কিংবা বিরুদ্ধই। সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে। রাজ্য নেতৃত্ব পুরো বিষয়টি দেখছে।
প্রসঙ্গত, ১৯ ডিসেম্বর বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৬ জন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। বিদ্রোহীদের অভিযোগ, শহরে সাড়ে তিন বছরে উন্নয়ন হয়নি। সেজন্যই অশোকের বিরুদ্ধে অনাস্থা। পদত্যাগী চেয়ারম্যান যদিও বিদ্রোহীদের এই দাবি মানতে চাননি। কয়েকদিনের টানাপোড়েনের পর শেষে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন তিনি। গত বুধবার অশোক ইস্তফা দিতেই জেলা প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।  নতুন চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে এখন জোর জল্পনা চলছে। বালুরঘাট সদর মহকুমাশাসক সুব্রত কুমার বর্মন বলেন, আমি চেয়ারম্যানের ইস্তফাপত্র পেয়েছি।  • ফাইল চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ