চিত হয়ে শোয়া
চিত হয়ে শুলে শ্বাসপ্রশ্বাস খানিকটা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। যাঁদের ঘুমের মধ্যে নাক ডাকে, তাঁদের চিত হয়ে শোয়া ভালো নয়। তবে কোমরব্যথা থাকলে, মেরুদণ্ড সোজা রেখে শোওয়া যায়।
কাত হয়ে শোয়া
বেশির ভাগ মানুষের জন্যই কাত হয়ে শোয়া ভালো। মেরুদণ্ড সোজা রেখে কাত হয়ে শুলে ব্যথা-বেদনা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যার ঝুঁকি কমে। তবে কোনও পাশের ঘাড়ে ব্যথা থাকলে সেই পাশ ফিরে না শোয়াই ভালো। অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগলে ডান কাতে নয়, বাঁ কাতে শোয়া ভালো, তাতে সমস্যার উপশম হয়। অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও বাঁ কাতে শোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, তাতে পেটের অভ্যন্তরে কোথাও বাড়তি চাপ পড়ে না শোয়ার সময়। তবে বছরের পর বছর টানা একই দিকে শুয়ে থাকলে মুখে একসময় বলিরেখা সৃষ্টি হতে পারে!
উপুড় হয়ে শোয়া
উপুড় হয়ে শুলে তা মেরুদণ্ডের জন্য ক্ষতিকর। সাময়িক আরাম অনুভব করলেও এই ভঙ্গিতে না শোয়াই ভালো।
মাথা উঁচু রেখে শোয়া
শোয়ার পর যদি কারও অ্যাসিডিটি বাড়ে বা পাকস্থলীর খাবার ওপরের দিকে উঠে আসতে চায়, তাহলে এই ভঙ্গি কাজে দেবে। নাহলে এভাবে শোবেন না।
খেয়াল রাখুন
মেরুদণ্ড সোজা রেখে ঘুমোবনে। জাজিম আর তোশক—দু’টিই একসঙ্গে ব্যবহার করবনে না। বালিশের উচ্চতা খুব কম বা খুব বেশি না হওয়া ভালো। এমনভাবে বালিশ বেছে নিন, যাতে শোয়ার সময় কাঁধের স্বাভাবিক বক্রতা বজায় থাকে। পুরোনো, বসে যাওয়া জাজিম বা তোশক কিংবা বালিশে শোয়া ঠিক নয়। এসব বদলে নিন।



