Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

জিয়াগঞ্জের লন্ডন মিশন হাসপাতাল একবছরের মধ্যে চালু হবে: গৌরীশংকর

জিয়াগঞ্জের লন্ডন মিশন হাসপাতাল আগামী একবছরে ফের চালু হবে। মন্ত্রীর উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নতির আশা। বিস্তারিত পড়ুন।

জিয়াগঞ্জের লন্ডন মিশন হাসপাতাল একবছরের মধ্যে চালু হবে: গৌরীশংকর
  • ১৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শতাব্দীপ্রাচীন লন্ডন মিশন হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। আগামী একবছরের মধ্যে এই হাসপাতাল চালু করা হবে বলে জানালেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ মন্ত্রী তথা মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষ। তিনি বলেন, লন্ডন মিশন হাসপাতাল ফের চালু করতে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ওই দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে। লালবাগ মহকুমা হাসপাতাল এবং বিভিন্ন গ্রামীণ হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর হাল ফেরাতেও পদক্ষেপ করা হচ্ছে। মন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন লালবাগের মানুষ। খ্রিস্টান মিশনারিদের উদ্যোগে ১৮৯৪সালে জিয়াগঞ্জে ৪২বিঘা জমির উপর প্রসূতি মা ও শিশুদের জন্য লন্ডন মিশন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭০সালে ‘ডায়োসিস অব ব্যারাকপুর’ এই  হাসপাতাল অধিগ্রহণ করে খ্রিস্টীয় সেবাসদন নাম দেয়। তারা ১৫বছর চালানোর পর ১৯৮৫সালে তৎকালীন রাজ্য সরকারকে হাসপাতাল অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ১৯৯৫সালের ১৪জুলাই রাজ্য সরকার এটি অধিগ্রহণ করে স্টেট জেনারেল হাসপাতাল ঘোষণা করে। কিন্তু ঘোষণার ১৫দিনের মধ্যে মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক হাসপাতাল সিল করে দেন। হাসপাতালের কর্মীদের ছ’মাসের মধ্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বদলি করে দেওয়া হয়। ২০০০সালে জেলাপরিষদের উদ্যোগে এখানে বহির্বিভাগ চালু হয়। জেলা পরিষদ থেকেই চিকিৎসক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০০২সালে বহির্বিভাগ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২০০৫সালে পুরসভা ও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের উদ্যোগে বহির্বিভাগের সঙ্গে ২০শয্যা বিশিষ্ট ইনডোর পরিষেবা চালু হয়। একবছরের মধ্য স্ত্রী, শিশু, অস্থি, দন্ত, চক্ষু সহ একাধিক বিভাগের পাশাপাশি ১০০শয্যা চালু হয়েছিল। কিন্তু ২০১৩সাল থেকে হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। করোনাকালে কোভিড হাসপাতাল হিসাবে ব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু এখন আর সেটি ব্যবহার হয় না। জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা প্রভাকর মণ্ডল বলেন, লন্ডন মিশন হাসপাতাল শহরের ঐতিহ্য ছিল। জিয়াগঞ্জ সহ আশপাশের নানা এলাকার মানুষ এখানে চিকিৎসা করাতেন। এটি বন্ধ হয়ে পড়ে থাকায় আমাদের লালবাগ যেতে হচ্ছে। হাসপাতালটি চালু হলে খুবই ভালো হবে। অপর বাসিন্দা বিপ্লব সরকার বলেন, মন্ত্রীর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। লন্ডন মিশন হাসপাতাল ফের চালু হলে জিয়াগঞ্জের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো চাঙ্গা হবে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ