Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

এবার পলিক্লিনিকের আদলে গড়ে উঠবে হাওড়া শহরের ৩ স্বাস্থ্যকেন্দ্র

হাওড়া শহরে ৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পলিক্লিনিকের আদলে গড়ে তোলার উদ্যোগ। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করতে আধুনিকীকরণের কাজ শুরু। বিস্তারিত পড়ুন।

এবার পলিক্লিনিকের আদলে গড়ে  উঠবে হাওড়া শহরের ৩ স্বাস্থ্যকেন্দ্র
  • ১৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়া শহরের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি নিয়ে বড়ো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেগুলিকে আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার উপযোগী করে তোলা হবে। পাইলট প্রকল্প হিসাবে বালিটিকুরি, জগাছা ও জগদীশপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিকাঠামো সংস্কার করা হবে। সেগুলিকে পলিক্লিনিকের আদলে গড়ে তোলার কাজ শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য।

Advertisement

জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বালিটিকুরি, জগাছা ও জগদীশপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ধাপে ধাপে পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। তারপর সাধারণ মানুষ এক ছাদের তলায় আরও বেশি চিকিৎসা পাবেন। জগাছা ও জগদীশপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিখরচায় একাধিক রক্ত পরীক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অল্প খরচে ইউএসজি সহ একাধিক প্রয়োজনীয় পরীক্ষার সুবিধা চালুর পরিকল্পনাও আছে। বালিটিকুরি ও জগাছা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়নে হাওড়া পুরসভার অধীনে এনে আরবান প্রাইমারি হেলথ সেন্টার (ইউপিএইচসি) হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা খরচে বেলগাছিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেএমডিএ’কে। একই সঙ্গে মাকড়দহ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আধুনিকীকরণের কাজও হবে।
শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি মা ও শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো ও পরিষেবা প্রদানের ক্ষমতা গড়ে তোলা হবে।’ 
তাঁর দাবি, বাম ও তৃণমূল আমলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে পরিষেবার ঘাটতি থাকায় বহু মানুষ বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উপর নির্ভর করতেন। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র তো বটেই শহরের স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতেও ইনজেকশন, সিরিঞ্জ, তুলো পর্যন্ত পাওয়া যেত না। ধাপে ধাপে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটবে। হাওড়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কিশলয় দত্ত জানান, শহরে বর্তমানে ১৯টি ইউপিএইচসি এবং ১২টি আরবান হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার আছে। পর্যায়ক্রমে সবক’টির পরিকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণের কাজ হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ