Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

সিজন চেঞ্জে জ্বর সর্দি শ্বাসের অসুখ, হোমিওপ্যাথি সমাধান কী?

ক্যালেন্ডারের পাতায় নভেম্বর হলেও আবহাওয়া এখনই বেশ ঠান্ডা। আবার দুপুরে গরমে টেকা দায়।

সিজন চেঞ্জে জ্বর সর্দি শ্বাসের অসুখ, হোমিওপ্যাথি সমাধান কী?
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পরামর্শে বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাঃ রথীন চক্রবর্তী।

Advertisement

ক্যালেন্ডারের পাতায় নভেম্বর হলেও আবহাওয়া এখনই বেশ ঠান্ডা। আবার দুপুরে গরমে টেকা দায়। ফলে সর্দিগর্মিতে নাক থেকে কাঁচা জল পড়া বা ‘নোজ ডিজচার্জ’ দিয়েই শুরু হয়েছে ঋতু পরিবর্তনের অসুখ। তারপর জ্বর, সর্দি-কাশি। হাতের কাছে কিছু হোমিওপ্যাথিক ওষুধ থাকলে সিজন চেঞ্জেও সম্ভব সুস্থ থাকা। 
অ্যাকোনাইট ন্যাপ ৩০: নাক দিয়ে জল ঝরতে শুরু করলে অ্যাকোনাইট ন্যাপ ৩০ ওষুধটি খুব ভালো কাজ করে। নাক দিয়ে জল পড়া দ্রুত বন্ধ হয়। শীতে শিশু বা বয়স্কদের এই সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। তাদের ক্ষেত্রেও এই ওষুধটি খুবই কার্যকর।
হিপার সালফ: আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় অ্যালার্জেনের প্রকোপ বাড়ে। তাই অনেকেরই জ্বরের সঙ্গে গলায় ব্যথা হয়। টনসিলের সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে হিপার সালফ ভালো কাজ করে।
ক্যালি মিউর: শ্লেষ্মা গলা থেকে নেমে বুকে বাসা বাঁধলে সর্দির প্রকোপ বাড়ে। যদি সর্দির রং সাদা থাকে ও ঘুম থেকে উঠে সাইনাস এলাকা ব্লক হয়ে যায়, তাহলে ক্যালি মিউর হতে পারে সেরা বিকল্প। এই সময় ঠান্ডার প্রকোপে গলাব্যথাও হয়। তখনও এই ওষুধ ভালো কাজ করে।
ফেরাম ফস ৬ এক্স: জ্বরের তাপমাত্রা খুব বেশি থাকলে ও চোখমুখ লাল হয়ে উঠলে একটু বায়োকেমিক ওষুধের ব্যবহার করলে ভালো। সেক্ষেত্রে ফেরাম ফস ৬ এক্স ব্যবহার করা যেতে পারে।
বেলেডোনা: জ্বরের সঙ্গে দপদপে মাথা যন্ত্রণা হলে বেলেডোনা সেরা বিকল্প। 
ব্রায়োনিয়া: জ্বরের সঙ্গে ঠান্ডার জেরে জিভ শুকিয়ে যাওয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো উপসর্গ থাকলে ব্রায়োনিয়া ভালো কাজ করে।  
এছাড়া ঠান্ডার ধাত থাকলে ও আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা লাগার ইতিহাস থাকলে গোটা শীতকাল জুড়েই ক্যালি মিউর ৬ এক্স ওষুধটি কাজে দিতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন আপনার চিকিৎসক। তাঁর কথামতো চললে রোগ পালাতে বাধ্য।  
লিখেছেন মনীষা মুখোপাধ্যায়

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ