


• উৎসবের মরশুম হোক বা ভ্রমণ— ছবি তোলা মাস্ট। সঙ্গে রয়েছে আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে গল্প-গুজব, নানাবিধ কাজ। সবমিলিয়ে ফোনের বিরাম মেলা মুশকিল। এই এত কাজ করতে করতে হু-হু করে কমতে থাকে ফোনের চার্জ। আর একবার তা ফুরলেই বিপত্তি। জল বিনা মাছের মতো অবস্থা হয় ফোনের। বাড়িতে থাকলে তো কোনও ব্যাপার নয়। ফোন চার্জে বসিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকে। বিপাকে পড়তে হয় রাস্তায়। সেই মুহূর্তে পাওয়ার ব্যাংক ছাড়া গতি নেই। সেটিই হয়ে ওঠে রক্ষাকর্তা। তবে সাধারণ পাওয়ার ব্যাংকের পরিবর্তে বর্তমানে এআই চালিত পাওয়ার ব্যাংক ট্রেন্ডিং। স্মার্ট, সময়সাশ্রয়ী বলে এই ধরনের পাওয়ার ব্যাংকের দিকে ঝুঁকছে তরুণ প্রজন্ম। কী কী বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায় এটিতে?
• বিভিন্ন ডিভাইসের চার্জিংয়ের মাত্রা, হার ও সময় আলাদা। ধরুন, একটি ফোন যদি ১ ঘণ্টা পুরো চার্জ হওয়ার ক্ষমতা রাখে, আরেকটি ডিভাইসের ক্ষেত্রে তা দেড় ঘণ্টা হতেই পারে। ফলে ভিন্ন ডিভাইসের চার্জিং অভ্যাসও আলাদা হয়। সাধারণ পাওয়ার ব্যাংক এই অভ্যাস বুঝতে পারে না। তার পাওয়ার সাপ্লাই সব ডিভাইসের ক্ষেত্রেই একরকম। তবে এআই চালিত পাওয়ার ব্যাংকে এমন অসুবিধা হয় না। আপনার ডিভাইসের চার্জিং ক্ষমতা বুঝে পাওয়ার সাপ্লাই করে। ফোনের ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয় না। ব্যাটারির আয়ুও বাড়ে।
• এই ধরনের পাওয়ার ব্যাংকে স্মার্ট পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থাকে। এর ফলে একসঙ্গে অনেকগুলি ডিভাইস চার্জ দেওয়া সম্ভব। প্রশ্ন করতে পারেন, এ তো সাধারণ পাওয়ার ব্যাংকেও হয়! তবে কোন ডিভাইসে কতটা পাওয়ার যাবে, তা সাধারণ পাওয়ার ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তা পারে এআই চালিত পাওয়ার ব্যাংক। এর ফলে বিদ্যুৎ অপচয় কমে। সব ডিভাইস সঠিকভাবে চার্জ হয়।
• অনেক এআই পাওয়ার ব্যাংকে দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তি থাকে। এর মাধ্যমে স্বল্প সময়ে ফোন বা ল্যাপটপের মতো ডিভাইস চার্জ দেওয়া যায়। ব্যস্ততার মাঝে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকায় পাওয়ার ব্যাংকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক উন্নত। সাধারণ পাওয়ার ব্যাংকের ক্ষেত্রে অনেক সময় অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে শর্ট সার্কিট হয়। আবার পাওয়ার ব্যাংকের ব্যাটারি ফুলে গিয়ে ফেটেও যেতে পারে। এই পাওয়ার ব্যাংকে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা শূন্য।
• বেশ কিছু উন্নত প্রযুক্তির পাওয়ার ব্যাংকে অ্যাপ সংযোগের সুযোগও থাকে। এর মাধ্যমে মোবাইল থেকেই চার্জিং অবস্থা সহ আরও অনেক বিষয় জেনে নেওয়া যায়। এতে ব্যাটারির যত্ন নেওয়া সহজ হয়।
দাম কেমন?
সাধারণ পাওয়ার ব্যাংকের তুলনায় দাম সামান্য বেশি। ২,৫০০ টাকার মধ্যে পেয়ে যেতে পারেন এই ধরনের পাওয়ার ব্যাংক।
শান্তনু দত্ত