Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

১৮-২০ এপ্রিল শিলিগুড়িতে যোগাসন প্রতিযোগিতা আয়োজক পশ্চিমবঙ্গ নমঃশূদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ড

প্রথম বর্ষ রাজ্য যোগাসন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ নমঃশূদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ড।

১৮-২০ এপ্রিল শিলিগুড়িতে যোগাসন প্রতিযোগিতা আয়োজক পশ্চিমবঙ্গ নমঃশূদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ড
  • ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: প্রথম বর্ষ রাজ্য যোগাসন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ নমঃশূদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ড। সহযোগিতায় রয়েছে উত্তরবঙ্গ আদর্শ যোগা অ্যাকাডেমি, শিলিগুড়ি এবং শিলিগুড়ি পুরসভা। এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখ থেকে শুরু হতে চলেছে এই প্রতিযোগিতা। তিন দিনের প্রতিযোগিতা শেষ হবে ২০ এপ্রিল। শিলিগুড়ি মিউনিসিপ্যাল ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এই খেলা হবে। প্রতিযোগিতায় হরিচাঁদ ঠাকুর চ্যাম্পিয়ন ট্রফি এবং গুরুচাঁদ ঠাকুর রানার্স ট্রফি রয়েছে। 

Advertisement

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতায় উপস্থিত থাকছেন পশ্চিমবঙ্গ নমঃশূদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ডের চেয়ারম্যান মুকুলচন্দ্র বৈরাগ্য, অল ইন্ডিয়া নমঃশূদ্র বিকাশ পরিষদের দার্জিলিং জেলা সভাপতি তথা উত্তরবঙ্গ আদর্শ যোগা অ্যাকাডেমির সভাপতি শিব হাজরা, অল ইন্ডিয়া নমঃশূদ্র বিকাশ পরিষদের জাতীয় সম্পাদক সঞ্জীবন মণ্ডল সহ শিলিগুড়ির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রতিযোগিতা নিয়ে গত বুধবার শিলিগুড়িতে প্রেসমিট করেছিলেন আয়োজকরা। যেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের চেয়ারম্যান অলক চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি পুরসভার ক্রীড়া বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন, পশ্চিমবঙ্গ নমঃশূদ্র ওয়েলফেয়ার বোর্ডের সদস্য সঞ্জীবন মণ্ডল সহ অন্যান্যরা। 
প্রতিযোগিতার সূচনা অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ, প্রধান অতিথি শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব। অনুষ্ঠানের সভাপতি ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। কার্যকরী সভাপতি মানিক দে, সহ সভাপতি দিলীপ বর্মন ও চিফ অ্যাডভাইজার হিসেবে থাকবেন টেবিল টেনিসে অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মান্তু ঘোষ। 
শিব হাজরা বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন খেলা সরকারিভাবে পরিচালিত হয়। কিন্তু যোগা সরকারিভাবে পরিচালনা হয়নি এখনও। সেকারণেই আমাদের নমঃশূদ্র বোর্ড যোগাসনের প্রসার বৃদ্ধিতে এবং সুস্থ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে এমন একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলার ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করবেন। গ্রুপ ভিত্তিক প্রতিযোগিতা হবে। ছ’টি গ্রুপে থাকবে ১২টি ভাগ। সাব জুনিয়র, জুনিয়র এবং সিনিয়র এভাবে খেলা হবে। ছেলেদের আলাদা ও মেয়েদের আলাদা গ্রুপ থাকবে। যোগাসন করলে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নানান রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব। একদিকে, যেমন নিজের শরীর সুস্থ থাকে, তেমনই সুস্থ সমাজও গড়ে ওঠে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ