Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চৈত্রের প্রথম দিনেই গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা

চৈত্রের প্রথম দিনেই বাঁকুড়ায় দাবদাহে নাকাল হলেন বাসিন্দারা। ৪০ ছুঁইছুঁই তাপমাত্রায় বাঁকুড়াবাসীর কার্যত গলদঘর্ম অবস্থা।

চৈত্রের প্রথম দিনেই গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা
  • ১৬ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: চৈত্রের প্রথম দিনেই বাঁকুড়ায় দাবদাহে নাকাল হলেন বাসিন্দারা। ৪০ ছুঁইছুঁই তাপমাত্রায় বাঁকুড়াবাসীর কার্যত গলদঘর্ম অবস্থা। তীব্র গরম ও চড়া রোদে পথচারীদের নাভিশ্বাস ওঠে। বাস সহ অন্যান্য যানবাহনের যাত্রীদেরও ভোগান্তি লক্ষ্য করা যায়। এদিন বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দিনে তা চড়চড়িয়ে বাড়বে বলে আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিকরা সতর্ক করে দিয়েছেন। গরমে বেশ কিছু বিষয় মেনে চলার ব্যাপারে চিকিৎসকরাও পরামর্শ দিয়েছেন। কেউ ‘সান স্ট্রোকে’ আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা শুরুর উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। প্রখর রোদে যতটা সম্ভব বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শও চিকিৎসকদের তরফে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

আবহাওয়া দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এদিন জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মরশুমের সর্বাধিক। আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে। বাতাসে জলীয় বাষ্প তেমন না থাকায় আপাতত ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।  চৈত্রের শুরু থেকেই জেলায় গরম পড়ে যায়। তবে তাপমাত্রা চল্লিশ ডিগ্রি সহজে পার হয় না। আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।  বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা সঞ্জয় কর, পল্লবী মোদক বলেন, এদিন দুপুরে রাস্তায় বের হওয়ার পর শরীরে জ্বালাপোড়া করতে থাকে। রোদে হাঁটাচলা করা দায় হয়ে দাঁড়ায়। ছায়ায় বসেও শান্তি পাইনি। এখন থেকেই গরম হাওয়া বা লু বইতে শুরু করেছে। এরকম আগে দেখা যায়নি। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার অর্পণকুমার গোস্বামী বলেন, এবার কিছুটা তাড়াতাড়ি গরম পড়ে গিয়েছে। এইসময় আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখার দিকে বেশি নজর দিতে হবে। বেশি করে জল খেতে হবে। সেইসঙ্গে লেবু বা ছাতুর শরবত খাওয়া যেতে পারে। তবে কার্বন ঘটিত ঠান্ডা পানীয় খাওয়া যাবে না। অ্যালকোহলও এড়িয়ে চলতে হবে। পোশাকের দিকেও বাড়তি নজর দিতে হবে। হালকা রঙের সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরে বাইরে বের হতে হবে। গাড়ি পার্কিং করার সময় তারমধ্যে শিশু, বয়স্ক বা পোষ্যকে রেখে নেমে গেলে হবে না। গরমে গাড়ির মধ্যে তাদের অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকবে। ‘সান স্ট্রোকে’ আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ নজরে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। বাঁকুড়া মেডিক্যালের জরুরি বিভাগ ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। সেখানে চিকিৎসা করানো যেতে পারে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ