জয়পুর: পহেলগাঁও হামলার একমাস পেরিয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারতের প্রত্যাঘাতের সাক্ষী থেকেছে পাকিস্তান। জঙ্গিদের খুঁজে বের করে খতম করতে উপত্যকাজুড়ে এখনও জারি তল্লাশি অভিযান। এরইমাঝে সেদিনের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজস্থানের ভারত-পাক সীমান্তে মোতায়েন থাকা মহিলা বিএসএফ জওয়ানরা। জওয়ান সোনালের স্পষ্ট বার্তা, আমাদের সিঁদুরের উপর আঘাত করা হয়েছিল। আমরাও যোগ্য জবাব দিয়েছি।
বিএসএফ জওয়ান জসবীরের কথায়, ‘পহেলগাঁও হামলার সময় রাগে ফুটছিলাম। আমরাও বিবাহিত। তাই স্বামী হারানোর যন্ত্রণা বুঝি। অপারেশন সিন্দুর শত্রুদের যোগ্য জবাব দিয়েছে। তারা যদি আবার হামলার চেষ্টা করে, তাহলে আমরা আবার প্রত্যাঘাত করব।’ কর্নেল সোফিয়া কুরেশি ও উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিংয়ের প্রশংসা করতেও ভোলেননি জসবীর। ভারত-পাক সীমান্তে রয়েছে রাজস্থানের চার জেলা গঙ্গানগর, বিকানির, জয়সলমীর ও বারমের। তীব্র গরমে সীমান্তের একাধিক পোস্টে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কর্তব্যে অবিচল জসবীর, সরিতারা। সরিতার কথায়, পহেলগাঁও হামলার পর থেকে সীমান্ত এলাকায় ড্রোন উড়তে দেখা গিয়েছে। এমনকী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পরও একাধিক সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। কিন্তু আমাদের বাহিনী প্রতিটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। দিন হোক বা রাত, যে কোনও পরিস্থিতিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।