সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: অল্প বৃষ্টিতেই জঙ্গিপুর পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তায় জল জমছে। কোথাও নিকাশিনালা নেই, আবার কোথাও তা মজে গিয়েছে। ফলে জল বেরতে না পারায় রাস্তায় জমে থাকছে। সেই নোংরা জল ঠেলেই এলাকার মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। মশামাছি ও পোকামাকড়ের উৎপাতও বাড়ছে। এনিয়ে শহরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, শহরের বিভিন্ন নিকাশিনালা সাফাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে এলাকায় নালা নেই, সেখানে তা তৈরি হবে।
বর্ষার মরশুম শুরু হতেই জঙ্গিপুর শহরের একাধিক ওয়ার্ডের রাস্তা জলে থইথই করছে। শহরের ১, ২, ৩ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বহু রাস্তায় জল জমে রয়েছে। ১ ও ২নম্বর ওয়ার্ডের জয়রামপুরে নিকাশিনালা মজে গিয়েছে। ফলে সেখানকার মণ্ডলপাড়ার রাস্তায় জল জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও বাড়ির বারান্দাতেও জল উঠছে। সেই জল বালতিতে করে তুলে ফেলছেন স্থানীয়রা। রাস্তায় হাঁটু অবধি জমা জল ঠেলে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ২নম্বর ওয়ার্ডের মণ্ডলপাড়ায় জামে মসজিদ থেকে পাঁচমাথা পর্যন্ত প্রায় ৫০০মিটার রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মণ্ডলপাড়ার সিঁদুরেতলার রাস্তায় জল জমে আছে। ১৮নম্বর ওয়ার্ডের শ্মশান যাওয়ার রাস্তায় জল জমে গিয়েছে। নিকাশিনালা না থাকায় জল নামছে না।
১নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ফিরোজ শেখ বলেন, ম্যানহোলের ভিতর আবর্জনা জমে রয়েছে। ফলে জল নামছে না। আমরা নালার জল নামানোর ব্যবস্থা করছি। তাড়াতাড়ি সমস্যা মিটে যাবে।
২নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তাসলিম শেখ বলেন, একসময় ওয়ার্ডের রাস্তা ও নালার সমস্যা নিয়ে আমরা আন্দোলন করেছি। অথচ এখন জনপ্রতিনিধি হয়েও মানুষের জন্য কাজ করতে পারছি না। এপথ দিয়ে আমি নিজেই যাতায়াত করি। নিজেরই খারাপ লাগছে। চেয়ারম্যানকে একাধিকবার জানিয়েও লাভ হয়নি। ১৮নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অঞ্জলি সরকার বলেন, অনেকে নালা দখল করে দোকানপাট তৈরি করেছেন। নিকাশিনালা মজে গিয়ে রাস্তায় জল জমছে। প্রশাসনকে নালা দখলমুক্ত করতে বলা হয়েছে। কিছু জায়গায় রাস্তাও খারাপ। খুব তাড়াতাড়ি রাস্তার কাজও শুরু হবে। প্রতীকী চিত্র