Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলস্তর কমল গঙ্গা ও ফুলহারের, জোর কদমে ভাঙন রোধের কাজ

মানিকচকে কমল গঙ্গা ও ফুলহার নদীর জলস্তর। তবে এখনও বিপদসীমার উপরে বইছে গঙ্গা। ভাঙন পরিস্থিতিও প্রায় স্বাভাবিক। নতুন করে ভাঙন হয়নি মানিকচক ও রতুয়ায় কোনও এলাকায়।

জলস্তর কমল গঙ্গা ও ফুলহারের, জোর কদমে ভাঙন রোধের কাজ
  • ২৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকে কমল গঙ্গা ও ফুলহার নদীর জলস্তর। তবে এখনও বিপদসীমার উপরে বইছে গঙ্গা। ভাঙন পরিস্থিতিও প্রায় স্বাভাবিক। নতুন করে ভাঙন হয়নি মানিকচক ও রতুয়ায় কোনও এলাকায়। যদিও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত প্রশাসন। তবে শনিবার ভূতনিতে ম্যানমেড বন্যা পরিস্থিতি তৈরির চক্রান্তের অভিযোগ করলেন বামনেতা দেবজ্যোতি সিনহা।

Advertisement

মানিকচকের গোপালপুর, জোতপাট্টা এবং রতুয়ার ১ ব্লকের মানিকনগরে নদী ভাঙন এক সপ্তাহ ধরে চলছে। কোথাও গঙ্গা, তো কোথাও ফুলহার নদী রাঙা চোখ দেখাচ্ছে। কোশি নদীও তাণ্ডব চালিয়েছে। ভাঙনে প্রায় কয়েক হাজার বিঘা জমি গঙ্গার গর্ভে। ভাঙন মোকাবিলায় কার্যত যুদ্ধে নেমে পড়েছে সেচদপ্তর। ভাঙনকে কেন্দ্র করে আতঙ্কও ছড়িয়েছে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে।
তার মধ্যে কিছুটা স্বস্তি,- গত কয়েকদিনের তুলনায় কমেছে গঙ্গার জলস্তর। এদিন ২৪.৭৫ মিটারে রয়েছে গঙ্গা। ফুলহারের জলস্তর রয়েছে ২৬.৩৫ মিটারে। জলস্তর কমার সঙ্গে ভাঙনও থেমেছে এলাকায়। তাসত্ত্বেও সেচদপ্তর জোর কদমে ভাঙন রোধে চালিয়ে যাচ্ছে বালির বস্তার কাজ। 
মানিকচকের গোপালপুর জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় চারটি নৌকার মাধম্যে বালির বস্তা ফেলে চলছে কাজ। রতুয়া ১ ব্লকের মানিকনগরে বালির বস্তার পাশাপাশি বাঁশ পাইলিংয়ের মাধ্যমেও কাজ করা হচ্ছে। এতে ভাঙন অনেকটা রোধ করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সেচদপ্তরের আধিকারিকরা। তবে ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে ভূতনির রিং বাঁধের উপর। প্রশাসন তাঁদের শুকনো খাবার এবং ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছে। তবে  বাসস্থান ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন ফেকিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রতিবছর ভাঙনে বাড়ির স্থান পরিবর্তন করতে হয়। প্রায় তিন মাস বাঁধের উপর কাটাতে হয় আমাদের। প্রশাসন এত টাকা খরচ করে ভাঙন রোধের কাজ করছে। আমাদেরও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক।
শনিবার দক্ষিণ চণ্ডীপুরের কাটা বাঁধে নির্মিত রাস্তা পরিদর্শন করে আন্দোলনে নামার এবং ভূতনি থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিটুর জেলা সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহা। তিনি বলেন, ভূতনিতে ম্যানমেড বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করার পরিকল্পনা চলছে। বন্যা পরিস্থিতিতে কোটি কোটি টাকা লুটের পরিকল্পনা চলছে। স্থানীয় বিধায়কের অঙ্গুলি হেলনে এই চক্রান্ত চলছে। বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, কে কী অভিযোগ করল, আমার জানা নেই।  ভাঙন ও বন্যা রোধে জেলা প্রশাসন, সেচদপ্তর সহ আমরা তৎপর রয়েছি। ভাঙন প্রতিরোধ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি এবার হবে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ