Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জল বাড়ছে ফুলহারের,ভাঙছে নদীর পাড়, উঠছে বাঁধ মেরামত করার দাবি

কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে জল বাড়তে শুরু করেছে ফুলহার নদীতে। জলের তোড়ে ভাঙছে নদীর পাড়

জল বাড়ছে ফুলহারের,ভাঙছে নদীর পাড়, উঠছে বাঁধ মেরামত করার দাবি
  • ৬ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে জল বাড়তে শুরু করেছে ফুলহার নদীতে। জলের তোড়ে ভাঙছে নদীর পাড়। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলের জল ফুলহার নদীতে ঢুকতে শুরু করেছে। তার জেরে তৈরি হয়েছে বন্যার আশঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা বাঁধ মেরামতের দাবি তুলেছেন। 

Advertisement

মালদহের হরিশচন্দ্রপুর-২ ব্লকের মধ্যদিয়ে বয়ে গিয়েছে ফুলহার নদী। এই নদীর তীরে রয়েছে দৌলতনগর এবং ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভারী বৃষ্টিতে নদীর জল ক্রমশ বাড়ছে। তার জেরে তিন-চার দিন ধরে ভাঙন শুরু হয়েছে ফুলহার নদীতে। নদীবাঁধ মেরামতির কাজ না করলে বন্যার কবলে পড়তে পারে বিস্তীর্ণ এলাকা। নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে কয়েকটি গ্রাম। এলাকাজুড়ে হতে পারে বন্যা পরিস্থিতি। এসবের জেরে প্রবল আতঙ্কে দিন কাটছে নদী তীরের বাসিন্দাদের। তারা বাঁধ মেরামতের  আর্জি জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের কাছে। ইসলামপুর অঞ্চলের বাসিন্দা আশরাফুল হক বলেন, রশিদপুর, উত্তর ভাকুড়িয়া, দক্ষিণ ভাকুড়িয়া, চণ্ডীপুর, মিহাহাট, পেঁয়াজখালি ও খোঁপাকাটি এলাকায় জল ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ ভাকুড়িয়া এলাকার যাওয়ার রাস্তার উপর জল উঠে গিয়েছে। অপরদিকে দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবরা ঘাটে জল জলস্তর অনেকটা বেড়েছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকার জল ফুলহার নদীতে ঢুকতে শুরু করেছে। দৌলতনগর এবং ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে কৃষির। এই পরিস্থিতি নিয়ে জেলা পরিষদের কৃষি সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর অসংরক্ষিত এলাকায় জল উঠে যায়। সেচদপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছি। বাঁধ মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন। হরিশ্চন্দ্রপুর-২ বিডিও তাপসকুমার পাল বলেন, প্রশাসন পরিস্থিতি উপর নজর রেখেছে। প্রয়োজনে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষকে নিরাপদে নিয়ে আসা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ