সংবাদদাতা, মানকর: মঙ্গলবার সারাদিন কখনও মাঝারি, কখনও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তাতেই গলসির পুরষায় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে ফ্লাইওভারের আন্ডারপাসে জল জমেছে। ফলে রোগীদের সেই নোংরা জল পেরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসতে হচ্ছে। ওই এলাকায় সুষ্ঠু নিকাশি ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন রোগীর আত্মীয়রা। বিএমওএইচ সব্যসাচী শিকদার বলেন, বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর গলসি ১ ও ২, আউশগ্রাম ১ ও ২ ব্লকের বহু মানুষ নির্ভর করেন। শিড়রাই, রামগোপালপুর, ভাষাপুল প্রভৃতি এলাকা থেকে বহু মানুষ চিকিৎসা করাতে আসেন। বহির্বিভাগে রোজ ৫০০’র বেশি রোগীর চিকিৎসা হয়। প্রায় ৬০কিমি পানাগড়-বর্ধমান সড়কের মাঝে একমাত্র পুরষা স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। ১৯নম্বর জাতীয় সড়কে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে জখমদের এখানেই নিয়ে আসা হয়। কিন্তু আন্ডারপাসে জল জমে থাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসতে সমস্যা হচ্ছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পুরষায় ১৯নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ শুরু হয়েছে। যানজট থেকে মুক্তির জন্য জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এখানে ফ্লাইওভার তৈরি করেছে। কিন্তু রাস্তার একদিক উঁচু হয়ে যাওয়ায় জল জমছে। দুর্গাপুরগামী রাস্তা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসতে গেলে আন্ডারপাস পেরতে হবে। কিন্তু সেটা জলমগ্ন হওয়ায় রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের নোংরা জল পেরিয়ে আসতে হচ্ছে। তাই সুষ্ঠু নিকাশি ব্যবস্থার দাবি উঠেছে।
এলাকার বাসিন্দা শেখ সাগর আলি বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই এখানে জল দাঁড়িয়ে যায়। আমরা চাই, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে সমস্যার সমাধান করুক। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, উপায় না থাকায় রোগীদেরও নোংরা জল পেরিয়ে আসতে হচ্ছে। পাশ দিয়ে বাইক গেলে গায়ে সেই জলের ছিটে এসে লাগে। যেভাবে টানা বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে জল জমার সমস্যা আরও বাড়তে পারে। আন্ডারপাসে গাড়ি, টোটো দাঁড়িয়ে থাকায় একদিক ধরে যাওয়া যায় না। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওখানে কাজ চলছে। তাড়াতাড়ি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। -নিজস্ব চিত্র