Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

স্বেচ্ছায় নাকি ইস্তফায় বাধ্য, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ধনকারের দেখা হওয়া নিয়েই ধন্দ

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকার কোথায়? এই প্রশ্ন তুলে রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস বারংবার বলছে, ধনকারের ইস্তফা, তারপর নীরব থাকা, জনসমক্ষ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ সরিয়ে নেওয়া—সবই রহস্যময়।

স্বেচ্ছায় নাকি ইস্তফায় বাধ্য, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ধনকারের দেখা হওয়া নিয়েই ধন্দ
  • ২৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকার কোথায়? এই প্রশ্ন তুলে রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস বারংবার বলছে, ধনকারের ইস্তফা, তারপর নীরব থাকা, জনসমক্ষ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ সরিয়ে নেওয়া—সবই রহস্যময়। এমনকী কেন্দ্রকে অস্বস্তিতে ফেলতে কংগ্রেস প্রশ্ন করেছে, ধনকার সুস্থ আছেন তো! তিনি কেন এরকম এক সাংবিধানিক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন? এটা কি গণতান্ত্রিক ভারতের নাগরিকদের জানার কোনও অধিকার নেই? বিরোধীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত এসব প্রশ্নই তথ্য জানার অধিকার আইনে করেছিলেন মহারাষ্ট্রের ওই আরটিআই কর্মী অজয় বাসুদেব বোস। কিন্তু যথাযথ উত্তর তিনি পাননি। শনিবার সমাজ মাধ্যমে তিনি বলেন, আমি রাষ্ট্রপতির কাছে তথ্য জানার অধিকার আইনে ২১ জুলাই আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলাম। অর্থাৎ ঠিক যেদিন ধনকার উপ রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। প্রটোকল অনুযায়ী উপ রাষ্ট্রপতির মতো সাংবিধাানিক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হলে সেটা রাষ্ট্রপতিকেই জানাতে হবে। ওই আরটিআই কর্মী প্রশ্ন করেছিলেন, ধনকার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঠিক কবে এবং কখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট চেয়েছিলেন? কারণ তিনি যে ইস্তফা দিচ্ছেন সেই ইস্তফা পত্র তো রাষ্ট্রপতিকেই দিতে হবে! জানাতেও হবে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি ভবনের সচিবালয় থেকে বলা হয়েছে, এরকম কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই। অর্থাৎ উপরাষ্ট্রপতি কবে কখন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করলেন অথবা ইস্তফাপত্র দিলেন, সেটা রাষ্ট্রপতির সচিবালয় জানে না। অজয় বাসুদেব বোসের আরও বক্তব্য, দ্বিতীয় প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, উপরাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র কবে কখন গ্রহণ করা হল? এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রপতি ভবন জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ২২ জুলাই গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে ইস্তফার কথা সরকারিভাবে জানিয়েছে। আবেদনকারী আরটিআই কর্মীর বক্তব্য, এই দুই উত্তরই খুবই জটিল এবং অস্পষ্ট। কারণ তাহলে কি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা না করেই উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে ধনকার পদত্যাগ করেছেন? তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। প্রশ্ন উঠছে, জগদীপ ধনকার কি তাহলে কি স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেননি? তাঁকে কি ঘুরপথে বাধ্য করা হয়েছে? 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ