Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

স্রেফ বিজেপি জিতলেই গ্রাম পাবে ১০ লাখ, অমিত শাহের ডেপুটির দাবিতে শোরগোল

বিজেপি প্রার্থীকে জেতাতে হবে। তাহলেই গ্রামের উন্নতির জন্য মিলবে ১০ লাখ টাকা। সমাজমাধ্যমে এই দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বন্দি সঞ্জয় কুমার।

স্রেফ বিজেপি জিতলেই গ্রাম পাবে ১০ লাখ, অমিত শাহের ডেপুটির দাবিতে শোরগোল
  • ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বিজেপি প্রার্থীকে জেতাতে হবে। তাহলেই গ্রামের উন্নতির জন্য মিলবে ১০ লাখ টাকা। সমাজমাধ্যমে এই দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বন্দি সঞ্জয় কুমার। একইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, কংগ্রেস প্রার্থী জিতলে কানাকড়িও মিলবে না। উলটে কেন্দ্রের পাঠানো টাকা অন্যত্র চলে যাবে। একদিন আগেই মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারও বলেছিলেন, তাঁর দলের প্রার্থী না জিতলে উন্নয়নের অর্থ দেওয়া হবে না। 

Advertisement

তেলঙ্গানার করিমনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজয়ী সাংসদ সঞ্জয় কুমার। আসন্ন গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখেই এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। মঙ্গলবার করিমনগরের গ্রামবাসীদের উদ্দেশে তিনি ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লেখেন, ‘নির্বাচনে বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীকে জেতান। আর সঙ্গে সঙ্গে আপনার গ্রামের উন্নয়নের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পান।’ তাঁর দাবি, করিমনগর কেন্দ্রের কোনও গ্রামে বিজেপি-সমর্থিত প্রধান নির্বাচিত হন, তাহলে কোনও অজুহাত ছাড়াই সরাসরি সেই গ্রামের উন্নয়নে ১০ লক্ষ টাকা দেবেন। টাকার বিষয়ে স্পষ্ট করে সঞ্জয় বলেন, ‘আপনাদের সাংসদ হিসেবে আমার কাছে এমপি ল্যাডের টাকা রয়েছে। আপনারা জানেন, কীভাবে আমরা সিএসআরের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা এনেছি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করতে তা বিনিয়োগ করেছি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে পঞ্চায়েতের উন্নয়নের জন্য আমি আরও বেশি কেন্দ্রীয় তহবিল আনব।’ তবে এরইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিতে ভোলেননি অমিত শাহের ডেপুটি। সরাসরি লেখেন, ‘ভুল করেও যদি কংগ্রেস বা বিআরএস-সমর্থিত প্রার্থী জেতে, তাহলে নতুন তহবিল আসবে না। কেন্দ্রীয় তহবিলও অন্যদিকে ঘুরে যেতে পারে।’ গ্রামবাসীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘অন্য কারও ফাঁদে পা দেবেন না। প্রলোভনে পড়বেন না। বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দিন।’ বিষয়টা নিয়ে সমাজমাধ্যমে বেজায় হইচই শুরু হয়েছে। অনেকেই সঞ্জয়ের সঙ্গে এনসিপি প্রধান অজিত পাওয়ারের তুলনা টানতে শুরু করেছেন। কারণ অজিতও বলেছিলেন, মালেগাঁও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর দলের প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করলে পুরসভা উন্নয়নের তহবিল প্রত্যাহার করা হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের আগে নেতা মন্ত্রীদের এই আচরণ ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলতে পারে। টাকার প্রলোভন বা হুঁশিয়ারি, দুইয়েরই বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে ভোটারদের মনে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ