কুলতলিতে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকায় দশভুজার আরাধনা গ্রামের মহিলাদের
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বারুইপুর: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে মহিলারা যে টাকা পেতেন, এখন তার দ্বিগুণ মিলছে অন্নপূর্ণা যোজনায়। কুলতলিতে এই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দিয়েই প্রথম পুজো করছেন গ্রামের মহিলারা। শেষ মুহূর্তে তাঁরা নিজেরাই হাত লাগিয়েছেন মণ্ডপ তৈরির কাজে। এদিকে, বারুইপুরের বৈষ্ণবপাড়ায় মহিলা পরিচালিত পুজো ঘিরেও ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। সপ্তমীতে মহিলারা গ্রামবাসীদের পাত পেড়ে খাওয়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। মেনুতে রয়েছে পোলাও আর আলুর দম।

Advertisement

কুলতলির দেউলবাড়ির দক্ষিণ দুর্গাপুরে মহিলাদের এই পুজোকে ঘিরে চলছে চরম ব্যস্ততা। গৃহবধূ রঞ্জনা হালদার, সুন্দরী নাইয়া, মিঠু নাইয়া, রেখা হালদার, সবিতা হালদার, রম্ভা নাইয়া, মমতা সর্দাররা এবার অন্নপূর্ণা যোজনার টাকায় প্রথম দুর্গাপুজো করছেন। তাঁদের কথায়, তৃণমূল সরকারের আমলে লক্ষ্মী ভাণ্ডার প্রকল্পে এক হাজার টাকা পেতাম। গত এপ্রিলে একবারই দেড় হাজার টাকা পেয়েছিলাম। অন্নপূর্ণা যোজনায় তা দ্বিগুণ হওয়ায় আমরা মেয়েরা মিলে পুজোর পরিকল্পনা করি। পুজোর সব কাজই আমরা করছি।
বারুইপুরের বৈষ্ণবপাড়া অধিবাসীবৃন্দের মহিলা পরিচালিত পুজো এবার হইহই করে হচ্ছে। কাকলি অধিকারী, সুপর্ণা সর্দার, নূপুর ঘোষ, শিপ্রা সর্দার, মঙ্গলা বিশ্বাস, খুকু নাথ, আরতি বেরারা নিজেরাই পাড়ায় ঘুরে ঘুরে চাঁদা তুলে পুজোর আয়োজন করছেন। এই দলে রয়েছেন ৭০ বছরের ভারতীদেবী, ৬৫ বছরের কুন্তী সর্দারও। কাকলি, সুপর্ণারা বলেন, আগে এই পুজো পাড়ার ছেলেরাই করত। দু’বছর ধরে আমরা করছি। পুজোর যাবতীয় কাজ আমরাই করি। আটঘরা থেকে আসে মায়ের মূর্তি। সপ্তমীতে গ্রামবাসীদের আলুর দম, পোলাও এবং নবমীতে খিচুড়ি খাওয়ানো হয়।
  কুলতলিতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। নিজস্ব চিত্র