নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ভিআইপি রোড থেকে সল্টলেকে ঢোকার বেইলি ব্রিজ ছিল। কিন্তু তা ছিল ওয়ান ওয়ে। তাই নাগরিকদের সুবিধার জন্য সল্টলেক-ভিআইপি রোড সংযোগকারী নতুন একটি বেইলি ব্রিজ চালু হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে। শুরুর দিকে প্রচার কম থাকায় তাতে গাড়ির চাপ কম ছিল। কিন্তু যত দিন গড়িয়েছে, তত বেড়েছে গাড়ির চাপ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সল্টলেক খালপাড় ‘এ এ ব্লক’-এর দিকে
গাড়ির চাপের তুলনায় রাস্তা সংকীর্ণ। ফলে অফিস টাইমে এখন প্রতিদিন যানজট হচ্ছে সল্টলেকে। সমস্যায় পড়ছেন এ এ ব্লকের বাসিন্দারা। পুজোর সময় যানজট আরও বাড়তে পারে, এই অনুমান করে উদ্বেগে রয়েছেন আবাসিকরা। বিষয়টি পুলিশ কমিশনারের নজরেও আনা হয়েছে।
পুরানো বেইলি ব্রিজ কেষ্টপুরের দিক থেকে কলকাতাগামী ভিআইপি রোডে লেকটাউন ট্রাফিক গার্ডের ঠিক আগে রয়েছে। তবে, সল্টলেক থেকে বের হওয়ার জন্য এতদিন কোনো বেইলি ব্রিজ ছিল না। দ্বিতীয় বেইলি ব্রিজে উভমুখী হওয়ায় হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হয়েছেন। ভিআইপি থেকে সল্টলেকে ঢোকাও যাচ্ছে, আবার সল্টলেক থেকে ভিআইপি রোডে যাওয়া যাচ্ছে। গোলাঘাটার কাছে একটি ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিং চালু করা হয়েছে। ফলে যে কোনো গাড়ি ডানদিকে ঘুরে এয়ারপোর্টের দিকে চলে যেতে পারছে, আবার বাঁ দিকে ঘুরে উল্টোডাঙা হয়ে কলকাতায় ঢুকে পড়ছে। ভিআইপি রোডের দিক যতটা চওড়া, সল্টলেকের এএ ব্লকের রাস্তা ততটা নয়। অফিস টাইমে গাড়ির লম্বা লাইন পড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তায় গাড়ির চাপ এবং যানজটের কারণে অনেকে নিজস্ব গাড়িও বার করতে পারছেন না। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিছুদিন আগেই নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারে পুজো কমিটি এবং পুলিশের সমন্বয় বৈঠক ছিল। সেখানে এ এ ব্লকের পক্ষ থেকে একজন পুলিশ কমিশনারকে এই যানজটের বিষয়টি জানান, যাতে পুজোর সময় বাড়তি পুলিশ দেওয়া হয়। পুলিশ কমিশনার রাঠোর অমিতকুমার ভারত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে জায়গাটি পরিদর্শন করেছেন অফিসাররা। সমস্যা সমাধানে সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।



