Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ট্রাম্পকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ‘উপহার’ ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রীর

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ থামানোর জন্য তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত— বারবার এই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্পকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ‘উপহার’ ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রীর
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিউ ইয়র্ক: বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ থামানোর জন্য তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত— বারবার এই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার তাঁর আশা কিছুটা হলেও পূরণ হল। তবে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি নয়, ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল পুরস্কারটিই তুলে দিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলনেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। গত বছর শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন তিনি। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে আমেরিকায় নিয়ে আসার পর জানিয়েছিলেন, নিজের নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান। ভেনেজুয়েলার মসনদে বসার জন্যই মারিয়া এমন মন্তব্য করেছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেন মারিয়া। রুদ্ধদ্বার সেই বৈঠকেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে নিজের পাওয়া পুরস্কার তুলে দেন। হোয়াইট হাউসের বাইরে মারিয়া বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা ফেরাতে অনন্য দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের হাতে আমার পদক তুলে দিয়েছি। আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপর ভরসা রাখতে পারি।’

Advertisement

ঘুরপথে হলেও নোবেল পেয়ে যে তিনি খুশি, তা গোপন করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সঙ্গে দেখা করা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। উনি একজন অসাধারণ নারী, অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন। আমার কাজের জন্য উনি নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার আমাকে দিয়েছেন। এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অনন্য নিদর্শন।’ যদিও পুরস্কারের এই হাতবদল একেবারেই আইন সম্মত নয় বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি। বিবৃতিতে তারা বলেছে, আলফ্রেড নোবেলের উইল অনুযায়ী  একবার পুরস্কৃত হলে নোবেল অন্য কাউকে দেওয়া বা ভাগ করা যায় না। নোবেলের মালিকানা বদল হতে পারে। তবে যার কাছে নোবেল গেল, তিনি নোবেলজয়ী হিসেবে বিবেচিত হবেন না।

গত বছরের গোড়া থেকেই ট্রাম্প নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্যতম দাবিদার প্রমাণ করতে মরিয়া। কূটনৈতিক মহলের মতে, পুরস্কার প্রাপ্তির ‘পাপে’ই  মাদুরোর পর ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি হিসেবে মারিয়াকে মেনে নিতে পারেননি ট্রাম্প।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ