নয়াদিল্লি: অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’। অভিযান শুরুর ১০০ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানজুড়ে প্রায় ২ হাজার নিশানায় আঘাত হানা হয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে দু’হাজারের বেশি যুদ্ধাস্ত্রের। সর্বশেষ যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার ভিডিও বার্তায় এই তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার।
মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ হামলায় ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। বহু শীর্ষ আধিকারিক সহ ইরানে মৃত্যুর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। পৃথকভাবে আমেরিকার অভিযান নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন কুপার। এই মার্কিন সামরিক কর্তা জানিয়েছেন, অভিযানে অংশ নিয়েছে ৫০ হাজারের বেশি সেনা, ২০০টি ফাইটার, দু’টি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার ও বম্বার। পশ্চিম এশিয়ায় এত বড়ো মার্কিন সেনা সমাবেশ একটা গোটা প্রজন্ম এর আগে দেখেনি। কুপারের আরও দাবি, ইরানের ১৭টি জাহাজ ইতিমধ্যেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তেহেরানের সবচেয়ে সক্রিয় সাবমেরিনও বিধ্বস্ত। পালটা জবাব হিসাবে ইরানও ৫০০টির বেশি মিসাইল ও কমপক্ষে ২ হাজার ড্রোনের ব্যবহার করেছে। এইসব মিসাইল ও ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন অসামরিক ক্ষেত্রকে নিশানা করছে তেহরান। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, বাহরিন, কাতার, ইরাক ও কুর্দিস্তান অঞ্চলে ইরানের হামলার মুখে পড়েছে আমেরিকার একাধিক দূতাবাস, সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান। হামলা চলেছে হোটেল ও তেল পরিকাঠামোগুলিতেও। ছবি: পিটিআই