সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। মশার উপদ্রব এতটাই যে সন্ধ্যায় বাড়ির দরজা জানালা খোলা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হতেই রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলাজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট। স্বাস্থ্য জেলার পক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত রবিবার পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮ জন। যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে স্বাস্থ্যকর্তাদের। আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। পাঁচটি বিধানসভার আটটি ব্লক নিয়ে রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলা। একশো দিনের কাজের প্রকল্পে গ্রামগঞ্জের নিকাশি নালা পরিষ্কার হতো। কিন্তু কেন্দ্রীয় বঞ্চনার জেরে তা বন্ধ। বিভিন্ন এলাকার নালাগুলি ময়লা আবর্জনায় ভরেছে। নালায় জমে থাকা জলে বোঝা যাচ্ছে মশার উপস্থিতি। বিভিন্ন রাস্তার ধারে দিনের পর দিন সাজিয়ে রাখা থাকছে নির্মাণ সামগ্রী। এছাড়া ঝোপজঙ্গল পরিষ্কার হয় না। পঞ্চায়েত থেকে সেগুলি নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না বলে অভিযোগ। যার জেরে গতবছরও দেখা ছড়িয়েছিল ডেঙ্গু। এবারও জমা জলে বাড়ছে এডিস ইজিপ্টাইয়ের সংসার। ঘরে ঘরে বাসা বাঁধছে জ্বর-সর্দি-কাশি। গ্রামাঞ্চলে বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট। রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ তিন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮ জন। তার মধ্যে রামপুরহাট ২ ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। গত রবিবার পর্যন্ত ওই ব্লকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ জন। রামপুরহাট ১ ব্লকে ৮, নলহাটি ১ ব্লকে ১২, নলহাটি ২ ও মুরারই ২ ব্লকে ৪ জন করে। এছাড়া নলহাটি পুরসভা এলাকায় ১৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মুরারই ১ ও ময়ূরেশ্বর ১ ব্লক মিলিয়ে ৫ জন এবং রামপুরহাট পুরসভা এলাকায় ৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন।



