Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দাঁতনে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আন্ডারপাস, ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়ক পারাপার অব্যাহত

খড়্গপুর-বালেশ্বর জাতীয় সড়কে লাগাতার দুর্ঘটনার জেরে দাঁতনের মনোহরপুর এলাকায় আন্ডারপাস তৈরির দাবি উঠেছে। দাঁতনেরই ঘোলাইতে কয়েক বছর আগে লাগাতার দুর্ঘটনার জেরে তৈরি হওয়া একটি আন্ডারপাস অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

দাঁতনে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আন্ডারপাস, ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়ক পারাপার অব্যাহত
  • ১১ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বেলদা: খড়্গপুর-বালেশ্বর জাতীয় সড়কে লাগাতার দুর্ঘটনার জেরে দাঁতনের মনোহরপুর এলাকায় আন্ডারপাস তৈরির দাবি উঠেছে। দাঁতনেরই ঘোলাইতে কয়েক বছর আগে লাগাতার দুর্ঘটনার জেরে তৈরি হওয়া একটি আন্ডারপাস অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দুর্ঘটনায় রাশ টানতে না পারলেও সচেতনতার অভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না সেই আন্ডারপাস। হুঁশ নেই প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের।দাঁতন থানার আঙ্গুয়া পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ঘোলাই মোড় এলাকায় লাগাতার দুর্ঘটনার জেরে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ পথচারীদের জন্য আন্ডারপাস তৈরি করেছিল। কয়েক বছর আগে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে সেই আন্ডারপাস সংযোগকারী ঢালাই রাস্তাও তৈরি করা হয়েছিল। সেইসময় তা উদ্বোধন করেছিলেন বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান। বর্তমানে সেই আন্ডারপাসটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নোংরায় ভরে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই আন্ডারপাসটি তৈরির পর প্রথম কিছুদিন তা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু মাসকয়েক যেতে না যেতেই তা ব্যবহার বন্ধ করে দেয় এলাকার মানুষ। লম্বা এই আন্ডারপাসের ভিতর অন্ধকার থাকায় দিনে ও রাতে যাতায়াতে সমস্যা দেখা দেয়। স্থানীয় পঞ্চায়েতের উদ্যোগে আলোর ব্যবস্থা করা হলেও একসময় তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সেই আন্ডারপাস ব্যবহার না করে সাধারণ মানুষ আবারও ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর দিয়েই পারাপার করছেন। এদিকে লাগাতার দুর্ঘটনায় জেরে নড়েচড়ে বসেছে পুলিস-প্রশাসন।

Advertisement

ট্রাফিকের এক আধিকারিক বলেন, পথচারী সাধারণ মানুষকে এই আন্ডারপাস ব্যবহারের কথা বললেও শোনেন না। সময় বাঁচাতে ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে পারাপারের চেষ্টা করেন অনেকে। আমরা পথচারীর পাশাপাশি বাইক ও সাইকেল আরোহীদেরও ওই আন্ডারপাস ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, ভিতরে আলোর ব্যবস্থা না থাকায় ও সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।আঙ্গুয়া পঞ্চায়েত প্রধান অভিজিৎ ধুয়া বলেন, পঞ্চায়েতের উদ্যোগে এই আন্ডারপাসের সংযোগকারী রাস্তাগুলি তৈরি করা হয়েছিল। সেইসময় আলোর ব্যবস্থা ছিল। প্রশাসনের কড়াকড়ি না থাকায় সাধারণ মানুষ তা ব্যবহার না করায় রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। আমরা দ্রুত ওই আন্ডারপাসে আলোর ব্যবস্থা করছি। দুর্ঘটনা এড়াতে সাধারণ মানুষকে এই আন্ডারপাস ব্যবহার করতে হবে। খড়্গপুর-বালেশ্বর জাতীয় সড়কের প্রজেক্ট হেড সঞ্জয়সুন্দর ঘটক বলেন, খড়্গপুর থেকে বালেশ্বর প্রায় ১০০ কিলোমিটার এই রাস্তায় শুধু পথচারীদের যাতায়াতের জন্য ৪০টি আন্ডারপাস রয়েছে। তবে কেন এই আন্ডারপাস ব্যবহার হচ্ছে না তা খোঁজ নিয়ে দেখছি। কোনও সমস্যা থাকলে দ্রুত তার সমাধান করা হবে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ