নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শ্যালক ও জামাইবাবুর গ্যাং! ট্যাব কাণ্ডের তদন্তে নেমে শিলিগুড়িতে এমন গ্যাংয়ের হদিশ পেয়েছে কলকাতা পুলিস। ইতিমধ্যে তারা গ্যাংয়ের তিন সদস্যকে পাকড়াও করেছে। ধৃতদের কেউ বিমা কোম্পানির এজেন্ট, কেউ শিক্ষক, আবার কেউ বাইকের শোরুমের কর্মী। এদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে ইসলামপুর মহকুমার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ঘিরনিগাঁয়ের। যা ট্যাব কাণ্ডের অন্যতম ঘাঁটি। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, বিভিন্ন ব্যবসার আড়ালে সংশ্লিষ্ট গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল।
Advertisement
ট্যাব কাণ্ড নিয়ে কয়েকদিন ধরে টানা অভিযান চালাচ্ছে লালবাজার থানা। তারা রবিবার গভীর রাতে শিলিগুড়ি শহরে হানা দিয়ে তিনজনকে পাকড়াও করে। ধৃতদের নাম দীবাকর দাস ওরফে বিট্টু, বিশাল ঢালি ও গোপাল রায়। সম্পর্কে প্রথম ও দ্বিতীয়জন শ্যালক, তৃতীয়জন তাদের জামাইবাবু। কলকাতা পুলিসের অভিযানের পরই এই নয়া গ্যাংয়ের পর্দাফাঁস হল। সোমবার দুপুরে প্রধাননগর থানার পুলিস দ্বিতীয় ও তৃতীয়জনের বাড়ি গিয়ে তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছে।
গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য ‘জাবাইবাবু’ গোপাল। চম্পাসরি মেইন রোড থেকে বাঁ দিকে নেমে কিছুটা এগলেই ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের পবিত্রনগর। সংকীর্ণ গলিতে তাদের দোতলা বাড়ি। মাধ্যমিকে ফেল করার পরই সে গ্যারেজের কাজে ঢোকে। বর্তমানে দেবীডাঙায় একটি শোরুমের কর্মী। তার বাবা বিমল রায় দিনমজুর। তিনি বলেন, ছেলে শ্বশুরবাড়িতে নিমন্ত্রণ খেতে যায়। দুই শ্যালককে সঙ্গে নিয়ে সে ঘুরতে বের হয়। তাদেরকে পুলিস গ্রেপ্তার করে কলকাতায় নিয়ে গিয়েছে বলে শুনছি। ধৃতের মা যমুনা রায় বলেন, ছেলে কোনও ধরনের অন্যায় কাজ করবে বলে ভাবতেই পারছি না। সে নির্দোষ। তাকে হয়তো ফাঁসানো হয়েছে।
পাশেই সমরনগরে জামাইবাবুর শ্যালক বিশালের বাড়ি। সে বেসরকারি একটি বিমা কোম্পানির এজেন্ট। দু’দিন আগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এসে ঘাঁটি গাড়ে দীবাকর ওরফে বিট্টু। পুলিস সূত্রের খবর, বিট্টু পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। তার মাসতুতো ভাই বিশাল। সেই সম্পর্কে সে গোপালেরও শ্যালক। বিট্টুর বাড়ি ইসলামপুরের ঘিরনিগাঁয়ে। যা ট্যাব কাণ্ডের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। পুলিস ও গোয়েন্দাদের সন্দেহ, শ্যালক ও জামাইবাবু গ্যাংয়ের মাস্টার মাইন্ড বিট্টুই। সেই জামাইবাবু ও ভাইকে সঙ্গে নিয়ে কৌশলে প্রতারণা চক্রের জাল বিস্তার করেছিল।
স্থানীয় কাউন্সিলার শিলিগুড়ি পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন বলেন, ধৃতদের পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ করেছিল। ট্যাব কাণ্ডে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পুলিসের কাছে জানিয়েছি।
এদিকে, শিলিগুড়ি শহরে ট্যাব কাণ্ড নিয়ে একাধিক অভিযোগ হয়েছে। সেগুলির কিনারা এখনও পুলিস করতে পারেনি। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, ট্যাবের টাকা নিয়ে কয়েকটি অভিযোগ হয়েছে। সেগুলি নিয়ে তদন্ত চলছে।
গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য ‘জাবাইবাবু’ গোপাল। চম্পাসরি মেইন রোড থেকে বাঁ দিকে নেমে কিছুটা এগলেই ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের পবিত্রনগর। সংকীর্ণ গলিতে তাদের দোতলা বাড়ি। মাধ্যমিকে ফেল করার পরই সে গ্যারেজের কাজে ঢোকে। বর্তমানে দেবীডাঙায় একটি শোরুমের কর্মী। তার বাবা বিমল রায় দিনমজুর। তিনি বলেন, ছেলে শ্বশুরবাড়িতে নিমন্ত্রণ খেতে যায়। দুই শ্যালককে সঙ্গে নিয়ে সে ঘুরতে বের হয়। তাদেরকে পুলিস গ্রেপ্তার করে কলকাতায় নিয়ে গিয়েছে বলে শুনছি। ধৃতের মা যমুনা রায় বলেন, ছেলে কোনও ধরনের অন্যায় কাজ করবে বলে ভাবতেই পারছি না। সে নির্দোষ। তাকে হয়তো ফাঁসানো হয়েছে।
পাশেই সমরনগরে জামাইবাবুর শ্যালক বিশালের বাড়ি। সে বেসরকারি একটি বিমা কোম্পানির এজেন্ট। দু’দিন আগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এসে ঘাঁটি গাড়ে দীবাকর ওরফে বিট্টু। পুলিস সূত্রের খবর, বিট্টু পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। তার মাসতুতো ভাই বিশাল। সেই সম্পর্কে সে গোপালেরও শ্যালক। বিট্টুর বাড়ি ইসলামপুরের ঘিরনিগাঁয়ে। যা ট্যাব কাণ্ডের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। পুলিস ও গোয়েন্দাদের সন্দেহ, শ্যালক ও জামাইবাবু গ্যাংয়ের মাস্টার মাইন্ড বিট্টুই। সেই জামাইবাবু ও ভাইকে সঙ্গে নিয়ে কৌশলে প্রতারণা চক্রের জাল বিস্তার করেছিল।
স্থানীয় কাউন্সিলার শিলিগুড়ি পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন বলেন, ধৃতদের পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ করেছিল। ট্যাব কাণ্ডে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পুলিসের কাছে জানিয়েছি।
এদিকে, শিলিগুড়ি শহরে ট্যাব কাণ্ড নিয়ে একাধিক অভিযোগ হয়েছে। সেগুলির কিনারা এখনও পুলিস করতে পারেনি। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, ট্যাবের টাকা নিয়ে কয়েকটি অভিযোগ হয়েছে। সেগুলি নিয়ে তদন্ত চলছে।



