Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নোংরা জলে বন্দি কাটোয়ার দুই ওয়ার্ড, নিষ্কাশনে পাম্প লাগিয়েছে পুরসভা

কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে কাটোয়ার দুই ওয়ার্ড জলমগ্ন৷ নিকাশি নালা উপচে বাসিন্দাদের ঘরের ভিতরে জল ঢুকে গিয়েছে। শোওয়ার চৌকির উপরে কেউ কেউ রান্না করতে বাধ্য হয়েছেন।

নোংরা জলে বন্দি কাটোয়ার দুই ওয়ার্ড, নিষ্কাশনে পাম্প লাগিয়েছে পুরসভা
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:০৮
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাটোয়া: কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে কাটোয়ার দুই ওয়ার্ড জলমগ্ন৷ নিকাশি নালা উপচে বাসিন্দাদের ঘরের ভিতরে জল ঢুকে গিয়েছে। শোওয়ার চৌকির উপরে কেউ কেউ রান্না করতে বাধ্য হয়েছেন। আবার নোংরা জলের উপরে খাটে ঘুমোচ্ছেন অনেকে। বেড়েছে মশার উপদ্রব। এই পরিস্থিতিতে জল যন্ত্রণার হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে পুরসভা পাম্প লাগিয়ে জল নিষ্কাশন শুরু করেছে। কাটোয়া পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর সাহা বলেন, আমরা অজয়ের বাঁধের উপর বড় পাম্প বসিয়ে জমে থাকা জল নিষ্কাশন করছি। জল অনেকটাই নেমে গিয়েছে।

Advertisement

কাটোয়ার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরিদপুর কলোনি ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড়াতেই অজয় ও ভাগীরথীর মিলনস্থল। টানা বৃষ্টিতে অজয়-ভাগীরথীর জল বেড়েছে। ফলে ওই দু’টি ওয়ার্ডের বেশকিছু এলাকা এখনও জলমগ্ন। বাসিন্দাদের দাবি, যেহেতু ওই দুই ওয়ার্ডের বেশ কিছু অংশ নিচু। তাই শহরের নিকাশি নালার জল দু’টি ওয়ার্ডে জমে গিয়েছে। ফরিদপুর কলোনি ও খালপাড়ার বাসিন্দাদের অনেকের ঘরের ভিতরে নোংরা জল ঢুকে গিয়েছে।  অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে রয়েছেন বাসিন্দারা।  
শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরিদপুর কলোনির বাসিন্দা প্রভাতী দাস, বিশ্বজিৎ দাসরা বলেন, দিনমজুরি করে খাই। টিনের চালার ঘরে থাকি। কয়েকদিন ধরেই বাইরেই নোংরা জল ঘরে ঢুকে পড়েছে। মশার উপদ্রবে থাকতে পারছি না। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড়ার বাসিন্দা মইরুন বিবির কথায়, আমরা নোংরা জলের উপরেই দাঁড়িয়ে রান্না করছি। ঘরে জল ঢুকেছে। তার মধ্যেই চৌকিতে ঘুমোতে হচ্ছে। মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়ে যাবে। 
অজয় নদ কাটোয়ায় ভাগীরথীতে এসে মেশে। কাটোয়া শহরে পাঁচটি লকগেট রয়েছে। তার মধ্যে ২ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শাঁখাই ঘাটে দু’টি লকগেট রয়েছে। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জামাইপাড়ায় একটি, ১০ নম্বরে সুকান্তপল্লিতে একটি ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডে দরানিবাঁধ এলাকায় একটি লকগেট রয়েছে। পুরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মলয় ঘোষ বলেন, আসলে কয়েকদিন ধরে ভাগীরথী ও অজয়ের জল অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। জল লকগেট ছাপিয়ে যায়। সেই কারণে দু’দিন  লকগেট বন্ধ করে রাখতে হয়েছিল। আর শহরের জল নিচু এলাকায় জমে গিয়েছিল। এখন পাম্প মেশিন দিয়ে জল বাইরে বের করা হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ