সংবাদদাতা, কাটোয়া: টানা বৃষ্টিতে দাঁইহাট শহরে দু’টি ওয়ার্ডে বহু বাড়ি জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। রাস্তায় হাঁটুসমান জল জমেছে। কোনও বাড়ির মেঝেতে জল ঢুকেছে। ঘরের ভিতর অনেকে চৌকির উপরেই রান্না করে ঘুমাতে বাধ্য হচ্ছেন। নিকাশি নিয়ে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।
সংবাদদাতা, কাটোয়া: টানা বৃষ্টিতে দাঁইহাট শহরে দু’টি ওয়ার্ডে বহু বাড়ি জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। রাস্তায় হাঁটুসমান জল জমেছে। কোনও বাড়ির মেঝেতে জল ঢুকেছে। ঘরের ভিতর অনেকে চৌকির উপরেই রান্না করে ঘুমাতে বাধ্য হচ্ছেন। নিকাশি নিয়ে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।
দাঁইহাট শহরের ১৪নম্বর ওয়ার্ড বেড়া উত্তরপাড়া জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। অনেকের বাড়িতে জল ঢুকেছে। এলাকার বাসিন্দা অলোকচন্দ্র দাস বলেন, আমার বাড়িতে জল জমে গিয়েছে। পুরসভাকে বারবার নিকাশি নালার জন্য জানিয়েছি। কোনও লাভ হয়নি। শহরের ৮নম্বর ওয়ার্ডের অবস্থা আরও খারাপ। কলাবাগান এলাকায় বহু বাড়িতে জল ঢুকেছে। লক্ষ্মী মির্ধা নামে এক বাসিন্দার বাড়িতে খাট-বিছানা সবই জলে ভিজে গিয়েছে। আলমারির একাংশ জলে ডুবে গিয়েছে। বেশিরভাগ বাসিন্দার বাড়িতে একই অবস্থা। বিউটি বাগচির বাড়িতে চৈকির উপরই রান্না করে খেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের এলাকায় হাইড্রেন খুব প্রয়োজন। তা না থাকায় আশপাশের পুকুর থেকে জল উপচে পড়ে বাড়িতে ঢুকছে। জমা জলে মশার উপদ্রব বাড়ছে। রাতে সাপের ভয়।
১৪টি ওয়ার্ডবিশিষ্ট পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনার স্তূপ জমে রয়েছে বলে অভিযোগ। নিকাশি নালাগুলি থেকে ঠিকমতো জল বের হয় না। সামান্য বৃষ্টি হলেই শহরের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, শহরের ১২নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপাড়ায় জলনিকাশি ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যকলোনি, চর পাতাইহাটের বুড়ির বটতলা এলাকা, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে চরদাঁইহাট, ১১নম্বর ওয়ার্ডের পাইকপাড়া প্রভৃতি এলাকার নিকাশির জল ঠিকমতো পাশ হচ্ছে না। ঠিকমতো সাফাই হয় না। শহরের ৮নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার অসীম ঘোষ বলেন, আমাদের ওয়ার্ডে প্রতি বছর বর্ষায় বৃষ্টি হলেই জম জমে যায়। পুরসভাকে বলেছি। অন্তত নিকাশি নালা তৈরি করে দিতে। পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপকুমার রায় বলেন, পাড়ায় সমাধান প্রকল্পে ওই দু’টি ওয়ার্ডে নিকাশি নালার জন্য প্রস্তাব দিয়েছি। আশা করি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।-নিজস্ব চিত্র