Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘বর্তমান’ এর খবরের জের, কালনার প্রাথমিক স্কুলে আরও দুই শিক্ষক নিয়োগ

কালনার নূতনচর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯১ জন পড়ুয়াকে পড়ানোর জন্য মাত্র একজন শিক্ষক রয়েছেন। স্কুল চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।

‘বর্তমান’ এর খবরের জের, কালনার প্রাথমিক স্কুলে আরও দুই শিক্ষক নিয়োগ
  • ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কালনা: কালনার নূতনচর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯১ জন পড়ুয়াকে পড়ানোর জন্য মাত্র একজন শিক্ষক রয়েছেন। স্কুল চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। ক্ষোভ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে। মঙ্গলবার ‘বর্তমান’এ এই খবর প্রকাশিত হতেই ওই স্কুলে আরও দু’জন শিক্ষক দেওয়া হল। মঙ্গলবার তা জানিয়েছেন কালনার অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক। কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে খুশি পড়ুয়া থেকে গ্রামবাসীরা।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ভাগীরথী নদীর ওপারে রয়েছে নূতনচর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থলপথে নদীয়ার সঙ্গে যুক্ত। গত এপ্রিল মাসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড ডে মিলে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সোচ্চার হন অভিভাবক ও গ্রামের বাসিন্দারা। পুলিশ গেলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। তারপর থেকে স্কুলে আসছেন না প্রধান শিক্ষক। জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ তাঁকে শোকজ করে হেয়ারিংয়ে ডাকলেও তিনি গরহাজির রয়েছেন। বর্তমানে ওই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৯১জন। প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে একজন শিক্ষক গত ছ’মাস ধরে পঠনপাঠন চালিয়ে আসছেন। মাঝে দু’জন শিক্ষক দিলেও তাঁরাও কেউ ১৫দিন, কেউ এক মাসের বেশি স্থায়ী হননি। একজন শিক্ষকের পক্ষে প্রায় একশো জন ছাত্রছাত্রীকে পড়ানো অসম্ভব। এতে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন অভিভাবকরা। সেই খবর প্রকাশিত হতেই জেলা শিক্ষা দপ্তর থেকে মঙ্গলবার শুভজিৎ প্রামাণিক ও জিসান আলি নামে দুই শিক্ষকের ওই স্কুলে যোগদান করানোর জন্য কালনার অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিসে পাঠানো হয়। অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক রুমা ঘোষ বলেন, জেলা শিক্ষাদপ্তরের নির্দেশে দু’জন শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠিও আমাদের কাছে এসেছে। শীঘ্রই তাঁরা বিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।
স্কুলের বর্তমান শিক্ষক টুটুন ঘরামি বলেন, শুনেছি দু’জন শিক্ষককে পাঠানো হচ্ছে। তবে, মিড ডে মিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালু ও দ্রুত বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হলে ভালো হয়। এলাকার বাসিন্দা সাফিজ শেখ বলেন, অবশেষে দু’জন শিক্ষক আসছেন। এতে ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠনে উন্নতি হবে। তবে, স্কুলে মিড ডে মিলের লক্ষ লক্ষ টাকা অনিয়ম হয়েছে। তার তদন্ত হোক। স্কুলের শৌচাগার ও ভবন সংস্কার প্রয়োজন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ